Bartaman Logo
১৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার রিনিউ হয়নি ব্লাড ব্যাংকের লাইসেন্স

জলপাইগুড়ি মেডিকেলে মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও ব্লাড ব্যাংকের লাইসেন্স রিনিউ হয়নি। স্বাস্থ্যভবনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার  রিনিউ হয়নি ব্লাড ব্যাংকের লাইসেন্স
  • ১৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মেডিকেলে দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার। ফলে কোনো কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা। অভিযোগ, জলপাইগুড়ি মেডিকেলের অধীন সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল কিংবা মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব সর্বত্র ফায়ার এসটিংগুইশারগুলির মেয়াদ ফুরিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় আগে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেগুলি বদলানো হয়নি। 

Advertisement

মেডিকেলের এক আধিকারিক বলেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এসটিংগুইশার বদলাতে পূর্তদপ্তরকে এস্টিমেট দিতে বলা হয়। প্রথমে তারা একরকম এস্টিমেট দেয়। সেইমতো অর্থ চেয়ে স্বাস্থ্যভবনকে জানানো হয়। ফাইল প্রসেসিং চলছিল। এখন আবার পূর্তদপ্তর জানাচ্ছে, তারা যে এস্টিমেট দিয়েছিল, সেই রেটে কাজ করতে পারবে না। ফলে এখন আবার যতক্ষণ নতুন করে এস্টিমেট না দিচ্ছে, মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এসটিংগুইশার বদলানোর কাজ সম্ভব নয়। 
জলপাইগুড়ি মেডিকেলে যে ব্লাড ব্যাংক রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সেটিরও লাইসেন্স রিনিউয়াল হয়নি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করে গিয়েছেন ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের প্রতিনিধিরা। তাঁদের রিপোর্ট এখনও মেডিকেলে এসে পৌঁছয়নি। তবে আদৌও জলপাইগুড়ি মেডিকেলের এই খামতিগুলি ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের নজরে পড়ল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। 
মেডিকেলের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ ফায়ার এসটিংগুইশারগুলি দ্রুত বদলানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, ব্লাড ব্যাংক চালানোর জন্য আমাদের লাইসেন্স আছে। সেটি রিনিউয়ালের জন্য অনলাইনে আবেদনও করা হয়েছে। 
জলপাইগুড়ি মেডিকেল সূত্রে খবর, এখন ব্লাড ব্যাংক যেখানে রয়েছে, জায়গাটি ছোটো। ফলে কিছু খামতি মেটানো যাচ্ছে না। মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবে যেহেতু নবজাতকদের পাশাপাশি প্রসূতিরা ভর্তি থাকেন, সেকারণে ওই ভবনে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থায় বিশেষ জোর দিতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যভবন। সেইমতো কাজ শুরুর পাশাপাশি বিদ্যুতের লাইন এবং ফ্যান, এসি মেশিন খতিয়ে দেখার কাজে হাত দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, রাজ্যে পালাবদল হতেই হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসকদের ডিউটিতে কড়াকড়ি শুরু। এবার থেকে জরুরি বিভাগে ডিউটি করতে হবে চিকিৎসক-অধ্যাপকদেরও। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ