Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

বিমান বিপর্যয়ের নেপথ্যে দূষিত জ্বালানি!

আমেদাবাদে বিমান বিপর্যয়ের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিভিন্ন মহল থেকে নানা তত্ত্ব উঠে আসছে। তাতে নয়া সংযোজন দূষিত জ্বালানির বিষয়টিও। ন্যাশনাল এরোস্পেস ল্যাবরেটরিজের প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর শালিগ্রাম জে মুরলীধর জানিয়েছেন, আমেবাদের দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

বিমান বিপর্যয়ের  নেপথ্যে দূষিত জ্বালানি!
  • ১৬ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চেন্নাই: আমেদাবাদে বিমান বিপর্যয়ের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিভিন্ন মহল থেকে নানা তত্ত্ব উঠে আসছে। তাতে নয়া সংযোজন দূষিত জ্বালানির বিষয়টিও। ন্যাশনাল এরোস্পেস ল্যাবরেটরিজের প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর শালিগ্রাম জে মুরলীধর জানিয়েছেন, আমেবাদের দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মর্মান্তিক বিপর্যয়ের নেপথ্যে বিমানের দূষিত জ্বালানি দায়ী হতে পারে। কারণ, সেক্ষেত্রে থ্রাস্ট ও পাওয়ার সর্বশক্তি নিয়ে কাজ করতে পারবে না। তাতে ইঞ্জিনেও একাধিক সমস্যা দেবে। ফলে নির্ধারিত উচ্চতায় উঠতে পারবে না বিমানটি। এখানেও টেকঅফের পর যেহেতু বিমানটি বেশিদূর উড়তে পারেনি, তাই এই তত্ত্বও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, বিমানে ৩৫ টন জ্বালানি ছিল। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই বিমানটি উচ্চতায় উঠতে পারেনি।  যদিও পাখির আঘাতের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে যে দাবি উঠছে, তা খারিজ করে দিয়েছেন মুরলীধর। তাঁর মতে, বিমানের দু’টি ইঞ্জিনই বিকল হয়ে গিয়েছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু পাখির ধাক্কাতে তা হওয়ায় সম্ভাবনা নেই।    

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ