Bartaman Logo
১৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাইপলাইন থাকলেও সর্বত্র মিলছে না জল

ফলতা, বজবজ এক এবং দুই, বিষ্ণুপুর, সাতগাছিয়াতে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের লাইন পাতার কাজ শেষ হয়েছে। জলও দেওয়া হচ্ছে

পাইপলাইন থাকলেও সর্বত্র মিলছে না জল
  • ২৬ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বজবজ: ফলতা, বজবজ এক এবং দুই, বিষ্ণুপুর, সাতগাছিয়াতে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের লাইন পাতার কাজ শেষ হয়েছে। জলও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক জায়গাতেই জল যাচ্ছে না। এমনটাই অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের। এনিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসনও।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এক্ষেত্রে মাথাপিছু পানীয় জল দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা হল ৩০ থেকে ৫০ লিটার। সরকারি নিয়ম অনুসারে, এই জল খাওয়া আর রান্নার জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু তদন্ত করে দেখা যাচ্ছে যে, পাইপলাইনে অনেক জায়গায় ফুটো করে বেআইনিভাবে পাম্প বসিয়ে বেশি মাত্রায় জল চুরি করা হচ্ছে। এজন্য বহু বাড়িতে ১০০০ থেকে ২০০০ লিটারের পিভিসি ট্যাঙ্ক বসিয়ে তা ভরতিও করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, এই জল দিয়ে বাসন মাজা, বাথরুম ধোয়া, স্নানও করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও নার্সারি বাগানে এই জল দেওয়া হচ্ছে, কোথাও আবার এই জল দিয়েই পুকুর ভরা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে এর ফলে অনেক জায়গায় জল পৌঁছচ্ছে না। এজন্য বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে বজবজ, বিষ্ণুপুরে কয়েক হাজার বাড়ি ও বাগানে এবং রাস্তার ধারের বেআইনি লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। প্রচুর পাম্পও উদ্ধার হয়। থানায় কেসও হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তরা তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থাকার কারণে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছিল, তখন এইসব বেআইনি লাইন কাটার ফলে সব জায়গাতে জল যাচ্ছিল। যদিও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ফের নতুন করে বিভিন্ন জায়গায় জল চুরি শুরু হয়, পরিস্থিতিও আগের জায়গায় ফিরে যায়। এজন্য জনস্বাস্থ্য দপ্তর ও প্রশাসনকে বার বার অপদস্থ হতে হচ্ছে। বজবজ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন ডাঃ তরুণ আদক। তিনি বলেন, এই চুরি বন্ধ করার জন্য কড়া হতে হবে প্রশাসন ও পুলিশকে। একই ভাবনা সাতগাছিয়ার বিধায়ক অগ্নীশ্বর নস্কর এবং ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডার। তাঁদের কথায়, মিটার বসানো এবং বেআইনিভাবে যারা জল নিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে জরিমানা করার মতো পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসন ও পুলিশকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ