নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ব্রিকস সম্মেলনে এবং তার আগেও দিল্লি সফরের জন্য আমন্ত্রণ করা হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আসেননি। ব্রিকস সম্মেলনে বস্তুত নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালদ্বীপের মতো কোনও নিকট প্রতিবেশীই হাজির হয়নি। কিন্তু বিশেষ করে বাংলাদেশ নিয়ে অস্বস্তি সবথেকে বেশি। কারণ বিমস্টেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। বাংলাদেশ সেই আমন্ত্রণকে যথাযোগ্য মনে করেনি। তারা অনুযোগ জানায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। তাই যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সেই সুর নরম হয়েছে রবিরারই। একদিকে ব্রিকস সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছে। আর সেদিনই ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর বলেছেন, দিল্লির সঙ্গে ঢাকা সম্পর্কের সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায় চায়। উভয় দেশের স্বার্থ যাতে সুরক্ষিত থাকে, সেটি সুনিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। যে পুরানো ইস্যুগুলি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, অর্থনীতি, কূটনীতিকে প্রভাবিত করেছে দীর্ঘকাল ধরে, সেগুলি সমানভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভারত সরকারও চাইছে যাতে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যাতে অবিলম্বে স্বাভাবিক করা যায়। আর সেজন্য প্রয়োজন সফর। তারেক রহমানের ভারত সফরের আশা তাই সম্পূর্ণ নির্মূল হয়নি। বরং যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে বলে মনে করছে ভারত। আবার তারেক রহমান আসার পরই স্থির হবে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর আদৌ সম্ভব কি না। কিন্তু সবটাই হয়ত নির্ভর করছে ডিসেম্বর মাসের উপর। শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি দেশে ফিরবেন ডিসেম্বর মাসে।



