সংবাদদাতা, মানিকচক: গোপালপুরের এলাহীটোলা গ্রামে গঙ্গা নদীর পাড় ভাঙন শুরু হয়েছে। গত বছর এই ৯০০ মিটার ভাঙন কবলিত এলাকায় ভাঙনের কাজ হওয়ার কথা থাকলেও শুরু হয়নি। দ্রুত কাজ না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে দাবি স্থানীয়দের। তাই মানিকচকের বিধায়কের কাছে ভাঙনের কাজের আবেদন করলেন দুর্গতরা।
মানিকচকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এলাহীটোলা গ্রাম প্রায় ৩০ বছর ভাঙন সমস্যায় জর্জরিত। সেখানকার বাসিন্দারা গোপালপুরের বাঁধের ধারে নতুন করে বসবাস শুরু করেন। সেই গ্রামের নাম রাখেন উত্তর ও দক্ষিণ এলাহীটোলা। কিন্তু সেখানেও পিছন ছাড়েনি ভাঙন। কয়েকবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকা পরিদর্শন করা হলেও কাজ হয়নি। বর্তমানে বাঁধ থেকে নদীর দূরত্ব কমতে কমতে মাত্র দেড়শ মিটার। গত বছর মালদহ সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে এই গ্রামের ৯০০ মিটার এলাকা চিহ্নিত করা হয়। নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় শুরু হয়নি কাজ। এবার গত দু’দিন ধরে চলছে ভাঙন। প্রতিনিয়ত বাড়তে শুরু করেছে নদীর জল। এই পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হক, নুহু শেখরা বলেন, আগের সরকার ৯০০ মিটার কাজ করার কথা বলেছিল। সরকার বদল হলেও এবার কাজের কোনো খবর নেই। বিধায়ক যদি দ্রুত উদ্যোগ না নেন, পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে।
এলাহীটোলার বাসিন্দাদের নিশ্চিন্তে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মানিকচকের বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল। বলেন, পূর্বতন সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করে শুধু লুট করেছে। আমরা কয়েক হাজার কোটি টাকার কেন্দ্রীয় প্রজেক্ট করেছি। ধাপে ধাপে কাজ হবে। এখন এলাহীটোলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সেচদপ্তরকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলব।