Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মুম্বইয়ে ইঞ্জিনিয়ার খুন করে শহরে আত্মগোপন, ধৃত

মুম্বইয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আরবাজকে খুন করে কলকাতায় আত্মগোপন করেছিল হাসান। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

মুম্বইয়ে ইঞ্জিনিয়ার খুন করে শহরে আত্মগোপন, ধৃত
  • ২৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুম্বইয়ে খুন করে কলকাতায় গা ঢাকা দিয়েছিল এক যুবক। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। মুম্বইয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার আরবাজ মকসুদ আলি খানকে অপহরণ করে খুন ও দেহ লোপাটের পর মূল অভিযুক্ত নাম বদলে কলকাতায় এসে কাজ নিয়েছিল পোশাক কারখানায়। ফ্ল্যাট ভাড়া ঩নিয়ে থাকছিল তিলজলায়। মাঝেমধ্যে কথা বলত মুম্বইয়ে এক আত্মীয়ের সঙ্গে। সেটাই কাল হল অভিযুক্তের। ফোনের সূত্র ধরে কলকাতায় এসে মূল অভিযুক্ত হাসান নুর আলমকে গ্রেপ্তার করল মুম্বই পুলিশ। তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মুম্বই।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, মুম্বইয়ের বাসিন্দা আরবাজ চলতি বছরের ৩ এপ্রিল বকেয়া সংগ্রহের জন্য মুমব্রা থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফেরেননি। পরিবার অভিযোগ করে মুমব্রা থানায়। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় একমাস পর ভাসাইয়ের একটি নর্দমায় তাঁর দেহ মেলে। তদন্তে নামে মুম্বই পুলিশ। আরবাজের মোবাইল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, মেহজাবিন নামে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর নিয়মিত কথা হত। এমনকি আরবাজ নিখোঁজ হওয়ার পর ওই মহিলার সঙ্গে ভাসাইতে ছিলেন। তদন্তে উঠে আসে মহিলা তার প্রেমিকা। মেহেজাবিনের ফোনের সূত্র ধরে জানা যায়, তাঁর বাড়ি মুমব্রাতে।  তরুণী বিবাহিতা। তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল আরবাজের। মোবাইলের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় মেহেজাবিন ও তাঁর ভাই তারিককে। তরুণী পুলিশকে জানায়, সে জেনে নিয়েছিল আরবাজ প্রচুর টাকার মালিক। সে, স্বামী হাসান ও দেওর তারিক মিলে পরিকল্পনা করে আরবাজকে অপহরণ করার। সেইমতো সে অপহরণ করেছিল আরবাজকে। এরপর মুক্তিপণ দাবি করে। কিন্তু টাকা না পাওয়ায় খুন করে আরবাজকে। তারপর দেহ ড্রামে ভরে ভাসিয়ে দেয়।  তদন্তে নেমে মুম্বই পুলিশ হাসানকে খুঁজে পাচ্ছিল না। হাসানের আত্মীয়দের ফোনে নজরদারি চলছিল। সেই সূত্রে  মুম্বই পুলিশের টিম রবিবার কলকাতায় পৌঁছয়। তিলজলা থানার সঙ্গে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেপ্তার করে হাসানকে। সে এখানে আলি নামে থাকছিল। ভুয়ো আধারসহ পরিচয়পত্র তৈরি করে ফেলে। সোমবার তাকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তের আইনজীবী সৈকত রক্ষিত বলেন, হাসান খুনে জড়িত তার প্রমাণ নেই। সরকারি আইনজীবী সাজ্জাদ আলি খান বলেন, প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে ধরা হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ