


ব্যাঙ্কক, ২৬ জুলাই: থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সংঘাতে উত্তপ্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনেও পুরোদমে চলছে সংঘর্ষ। বাড়ছে নিহত ও আহতের সংখ্যা। জানা যাচ্ছে, আজ, শনিবার সকাল পর্যন্ত এই সংঘাতের জেরে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের। ইতিমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দু’দেশের সীমান্ত থেকে অন্তত ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ ঘর ছেড়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গতকাল, শুক্রবার নিউ ইয়র্কে তড়িঘড়ি বৈঠকে বসে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয় রাষ্ট্রসঙ্ঘে। উদ্বিগ্ন বর্তমান আশিয়ান প্রধান মালয়েশিয়া।
উভয় দেশকেই যুদ্ধবন্দিদের মুক্তি দিয়ে মধ্যস্থতার পথে হাঁটার পরামর্শ দিয়েছে। যদিও কম্বোডিয়ার তরফে যুদ্ধবিরতির আর্জি জানানো হয়েছে। এর মাঝেই কম্বোডিয়ায় থাকা ভারতীয়দের জন্য একটি নির্দেশিকা জারি করা হল। কম্বোডিয়ায় থাকা ভারতীয় দূতাবাসের তরফে সেই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ চলছে, কোনও ভারতীয় এই সময়ে সীমান্ত এলাকায় সফরে যাবেন না। কোনও প্রয়োজনে দূতাবাসের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন। দেওয়া হয়েছে একটি ফোন নম্বর ও ইমেল আইডি। যেটি হল- +৮৫৫ ৯২৮৮১৬৭৬ কিংবা email [email protected]. । একইভাবে গতকাল, শুক্রবার থাইল্যান্ডে থাকা ভারতীয়দের জন্যই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে নয়াদিল্লিও।
সূত্রের খবর, গতকাল, শুক্রবারও একাধিক এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। সীমান্তবর্তী চং-বক, ফু মাখেউয়া, ফ্যানম ডন র্যাক এলাকায় সকাল থেকেই গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছে। সংঘর্ষ হয়েছে তা-মুয়েন-থম মন্দির সংলগ্ন এলাকাতেও। থাইল্যান্ডের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে কম্বোডিয়া সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কম্বোডিয়া সংলগ্ন আট জেলায় মার্শাল আইন জারি করেছে থাই সরকার। থাইল্যান্ডের সুরিন প্রদেশের একটি জিমে আশ্রয় নিয়েছে অন্তত ৬০০ মানুষ।