Bartaman Logo
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সেপ্টেম্বর মাসেই বাণীপুর শ্মশানে চালু হচ্ছে ইলেকট্রিক চুল্লি

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। প্রায় আট বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রকল্প এবার চালুর পথে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর হাবড়ার বাণীপুরের মুক্তিধাম শ্মশানে বৈদ্যুতিক চুল্লি চালুর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর মাসেই বাণীপুর শ্মশানে চালু হচ্ছে ইলেকট্রিক চুল্লি
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। প্রায় আট বছর ধরে ঝুলে থাকা প্রকল্প এবার চালুর পথে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর হাবড়ার বাণীপুরের মুক্তিধাম শ্মশানে বৈদ্যুতিক চুল্লি চালুর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। হাবড়া পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে এই শ্মশান। উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের কাছে মুক্তিধাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাবড়া ছাড়াও গাইঘাটা, অশোকনগর, গুমা, বিড়া, কুমড়া, কাশীপুর-সহ একাধিক এলাকার মানুষ শেষকৃত্যের জন্য এই শ্মশানের উপর নির্ভর করেন। ফলে এই শ্মশানের উপর চাপ দিনদিন বাড়ছে। তাই আধুনিক পরিষেবার প্রয়োজন দীর্ঘদিন ধরেই ছিল।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দাদের অন্যতম দাবি ছিল, এখানে বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা। সেই দাবি মেনে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পের শিলান্যাস হয়। তখন রাজ্যে ক্ষমতায় তৃণমূল সরকার। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি ১১ লক্ষ টাকা। শিলান্যাসের সময় ঘোষণা করা হয়েছিল, দু’বছরের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে বৈদ্যুতিক চুল্লি। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। দু’বছরের তো বটেই, তারপরেও পেরিয়ে যায় আরও কয়েক বছর। প্রায় আট বছর ধরে প্রকল্পটি ঝুলেই থাকে। এর মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করতে বর্তমান বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার আরও ১ কোটির বেশি টাকা বরাদ্দ করেছে।
এই পরিস্থিতিতে কয়েকদিন আগে মুক্তিধাম শ্মশানে যান বিজেপি বিধায়ক দেবদাস মণ্ডল। তিনি সরেজমিনে প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখেন। বৈদ্যুতিক চুল্লির জন্য তৈরি ভবনও ঘুরে দেখেন। দেখেন অফিসকক্ষ ও বিশ্রামাগারও। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রকল্পের বর্তমান অবস্থার বিস্তারিত খোঁজ নেন। দেবদাস বলেন, হাবড়াবাসী দীর্ঘদিন ধরে এই পরিষেবার জন্য অপেক্ষা করছেন। আগের সরকার এটি চালু করার ব্যবস্থা নেয়নি। শুধু ভবন তৈরি করে ফেলে রেখাছিল। ক্ষমতায় আসার পর এটি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। সেই মতো সমস্ত কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বিধায়কের বক্তব্য, শুধু বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করলেই হবে না। শ্মশানে আসা মানুষজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিষেবাও উন্নত করতে হবে। তাঁদের কথা মাথায় রেখে উন্নত বিশ্রামাগার তৈরি করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আলো এবং ঠান্ডা পানীয় জলের ব্যবস্থাও করা হয়ে গিয়েছে। শ্মশান চত্বরের সৌন্দর্যায়নের কাজও হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ