লখনউ: রামমন্দির নির্মাণের তখন সলতে পাকানো চলছে। অযোধ্যার বসত ভিটেতেই ভগবান রাম পাবেন তাঁর মাথার ছাদ। তাই আর চিন্তা করেননি। জমি বিক্রি করে ২০১৮ সালে রামমন্দির বানানোর জন্য এক কোটি টাকা তুলে দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ের বাসিন্দা সিয়ারাম উমরবৈশ্য। সেই ঘটনার আট বছর অতিক্রান্ত। রামমন্দির মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে দু’বছর হল। আর এরমধ্যেই দানের সামগ্রী চুরি যাওয়া নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। সে খবর শুনেছেন বৃদ্ধ সিয়ারাম। এখন কৃতকর্মের জন্য অনুশোচনা করছেন তিনি। বলছেন, ‘আমি অনুতপ্ত। এখন আপশোস হচ্ছে।’ অথচ কয়েকদিন আগেও তিনি একবুক গর্ব নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। হাঁটাচলায় ছিল আত্মপ্রত্যয়। কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলতেন, ‘রামমন্দিরকে চাক্ষুষ করাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।’ ২০১৮ সালে যখন তিনি এক কোটি টাকা দানের কথা ঘোষণা করেন, তখন রামমন্দিরে নির্মাণের সম্ভাবনা বিশ বাঁও জলে। পুরো বিষয়টি ছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। অনেকেই তাঁকে বলতেন, মন্দিরের পক্ষে রায় না গেলে, তাঁর দান বৃথা যাবে। তাঁদের কথায় আমল দেননি সিয়ারাম। পালটা বলেছিলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী একদিন রামমন্দির নির্মিত হবেই। সুপ্রিম কোর্টের রায় আমার পক্ষেই আসবে।’



