নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা শহরের এই পুকুরে উত্তম কুমার সাঁতার কেটেছেন। এক সময় এই পুকুরেই সাঁতার কাটতেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। ভবানীপুরের পদ্মপুকুরের কথা বলছি। এখন শান বাঁধানো সেই পুকুর ঝাঁ চকচকে। বুধবার এখানেই ধুমধাম করে পালিত হল ছটপুজো। তার সঙ্গে এদিনই ছট আর দুর্গাপুজো মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল। পদ্মপুকুর ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের ২০২৫ সালের দুর্গাপুজোর ‘বোধন’ হল এদিনই। এই পুকুরেই ছটপুজো হয়। আবার পুজোর সময় এই পুকুরের মাঝেই মণ্ডপ বেঁধে হয় দুর্গাপুজো। পদ্মপুকুর ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ সন্দীপরঞ্জন বক্সি বলেন, ‘পদ্মপুকুরে বছর দশেক ধরে ছটপুজো হচ্ছে। ছট হল সূর্যদেবের পুজো, জলের পুজো। তাই আজকের দিনে আমরা এই জল আর সূর্যকে সাক্ষী রেখে দুর্গাপুজোর বোধন করলাম।’ আগামী বছর এই পুজো কমিটির থিম কী হবে, তা নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেননি তাঁরা। পুজো কমিটির এক উদ্যোক্তার কথায়, আসলে দুর্গাপুজোর আগে খুঁটি পুজো হয়। আমাদের পুজোই একমাত্র জলের উপর হয়। আমরা জলের পুজোয় শামিল হই। তাই এদিন ছটপুজোর আঙিনায় মা দুর্গার ‘জলেই বোধন’ করলাম আমরা। এদিন পদ্মপুকুরে ছটপুজোর সময় দেখা গেল, অনেকেই প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন জলে। সেই প্ল্যাকার্ডে লেখা— ‘জলেই বোধন’। তবে দুর্গাপুজোর প্রায় এক বছর আগে এই পুজো কমিটির ‘জলেই বোধন’ কর্মসূচি নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। -নিজস্ব চিত্র



