নয়াদিল্লি: একই দিনে জোড়া খুন। যার জেরে শনিবার চাঞ্চল্য ছড়াল দিল্লিতে। ফের প্রশ্নের মুখে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা। সামনেই দিল্লির ভোট। ফলে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনীতি। দিল্লি পুলিসের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। যার মাথায় অমিত শাহ। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অভিযোগ, ভোট প্রচারে ব্যস্ত থাকায় দিল্লির নিরাপত্তা নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। যার যেরে এখন শহরের নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছে সমাজবিরোধীদের হাতে।
Advertisement
এদিন ভোরে শাহদারা জেলার ফরশবাজারে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয় সুনীল জৈন নামে এক ব্যবসায়ীর। জানা গিয়েছে, যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রাতর্ভ্রমণ সেরে স্কুটারে চেপে বাড়িতে ফিরছিলেন কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা বছর সাতান্নোর ওই ব্যবসায়ী। সঙ্গে ছিলেন এক বন্ধু। মাঝরাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে সাত-আট রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মুহূর্তের মধ্যে মোটরবাইকে চেপে এলাকা ছেড়ে পালায় তারা। মৃত ব্যক্তির সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না বলে পুলিসকে তার পরিবার জানিয়েছে। পুলিস গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আততায়ীদের শনাক্ত করতে সিসি ক্যামেরার সাহায্য নিচ্ছে পুলিস।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার মধ্যরাতে গোবিন্দপুরি এলাকায়। একটি সাধারণ শৌচালয় পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত। সেখান থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই গোষ্ঠী। পুলিস জানিয়েছে, এতে জখম হন তিন জন। এর মধ্যে সুধীর নামে একজনের মৃত্যু হয়। তাঁর বুকে এবং মুখে ছুরির কোপ বসানো হয়েছিল। জখম প্রেম ও সাগর নামে অপর দুই যুবকের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট দিল্লিতে। শহরের নিরাপত্তা যে এবারের ভোটের অন্যতম ইস্যু হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দিলেন আম আদমি পার্টির (আপ) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরে ঘটে যাওয়া জোড়া খুন নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। অভিযোগ করেন, ‘দিল্লির আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। অপরাধীরা কীভাবে এত বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে?’ বলেন, ‘অমিত শাহ দিল্লির একেবারে সর্বনাশ করে দিয়েছেন। উনি দিল্লিকে জঙ্গলরাজে পরিণত করেছেন। দিল্লিকে মহিলারা আর নিরাপদ মনে করেন না। খুন, ধর্ষণ নিত্যদিনের ঘটনা। দিল্লিবাসীকে নিরাপত্তা দিতে
পুলিস ব্যর্থ।’
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার মধ্যরাতে গোবিন্দপুরি এলাকায়। একটি সাধারণ শৌচালয় পরিষ্কারকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত। সেখান থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই গোষ্ঠী। পুলিস জানিয়েছে, এতে জখম হন তিন জন। এর মধ্যে সুধীর নামে একজনের মৃত্যু হয়। তাঁর বুকে এবং মুখে ছুরির কোপ বসানো হয়েছিল। জখম প্রেম ও সাগর নামে অপর দুই যুবকের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।
বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট দিল্লিতে। শহরের নিরাপত্তা যে এবারের ভোটের অন্যতম ইস্যু হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দিলেন আম আদমি পার্টির (আপ) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরে ঘটে যাওয়া জোড়া খুন নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। অভিযোগ করেন, ‘দিল্লির আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছে। অপরাধীরা কীভাবে এত বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে?’ বলেন, ‘অমিত শাহ দিল্লির একেবারে সর্বনাশ করে দিয়েছেন। উনি দিল্লিকে জঙ্গলরাজে পরিণত করেছেন। দিল্লিকে মহিলারা আর নিরাপদ মনে করেন না। খুন, ধর্ষণ নিত্যদিনের ঘটনা। দিল্লিবাসীকে নিরাপত্তা দিতে
পুলিস ব্যর্থ।’



