নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: একটিই রাস্তা। অভিযোগ, দু’বার নির্মাণ করা হয়েছে সেটি। বসানো হয়েছে দু’রকম ফলক। আর তা নিয়েই বিভ্রান্তি এবং বিতর্ক শুরু হয়েছে সাগরে। জানা গিয়েছে, রামকরচর গ্রাম পঞ্চায়েতের গান্ধীনগর বাজার থেকে গৌতম পুরকাইতদের বাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় আড়াই কিলোমিটার রাস্তা ২০১৮ সালে সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি শুরু করে। ২০২০-২১ সালে তা শেষ হয়। কিছুদিন আগে সেই রাস্তা আবার মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদারের সাংসদ তহবিল থেকে তৈরি করা হয়েছে। এই মর্মে আরও একটি ফলক লাগানো হয়। এলাকার মানুষের দাবি, একই রাস্তা দু’রকম নাম দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। কেন এমনটা হয়েছে বোঝা যাচ্ছে না। এই ঘটনায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। তাঁদের দাবি, একই রাস্তা দুবার করে কাজ দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। তিনি বলেন, ওই রাস্তার অর্ধেক কাজ বাকি ছিল, সেটাই সাংসদ তহবিল থেকে তৈরি করা হয়েছে। কোনও দুর্নীতি হয়নি।



