নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: একই নাম। সিবিল স্কোরও ভালো। তা দেখেই ঋণের জন্য আবেদন করছে প্রতারকরা। যে গ্রাহকের নামে ঋণের আবেদন, তাঁর নথিপত্রও জোগাড় করছে তারা। আসল নথি না পেলে ভুয়ো নথি বানিয়েও ফেলছে এই চক্র। তারপর মোট টাকা ঋণ নিয়ে বেপাত্তা হয়ে যাচ্ছে প্রতারকরা! অথচ, যে গ্রাহকের নামে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, তিনি জানতেই পারছেন না! পরে যখন জানতে পারছেন, তখন আকাশ থেকে পড়ছেন তিনি! কলকাতা, সল্টলেকসহ বাংলার বিভিন্ন জেলার বহু মানুষ এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। পুলিসের কথায়, প্রতারকরা প্রতিদিন প্রতারণার কৌশল বদলাচ্ছে। তাই বাড়ছে এই নতুন ধরনের অপরাধও। তাই সবসময় সতর্ক থাকতে হবে, না-হলেই মারাত্মক বিপদ।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁদের সিবিল স্কোর ভালো, সেই গ্রাহকরা সহজেই ঋণ পেয়ে যান। সম্প্রতি, কিছু প্রতারক এই ধরনের গ্রাহকের খোঁজ করছে। খোঁজ পেলেই ওই গ্রাহকদের ট্র্যাক করছে তারা। বিভিন্ন জায়গা থেকে তাঁর আধার এবং প্যান কার্ডের নথি জোগাড় করছে। তারপর সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে তাঁর নামে ইনস্ট্যান্ট পার্সোনাল লোনের আবেদন করছে। গ্রাহকের যা নাম, সেই নামেরই প্রতারক এই কাজ করছে। সে আবেদনে আসল গ্রাহকেরই নথিপত্র জমা করা হচ্ছে। কিন্তু, যে মোবাইলে ওটিপি আসবে, সেই মোবাইল নম্বর দিচ্ছে নিজের। ফলে, ব্যাঙ্ক বা ফিনান্স সংস্থা থেকে লোন কনফার্ম করার যে ওটিপি পাঠাচ্ছে, তা সোজা চলে যাচ্ছে প্রতারকের কাছে। গ্রাহকরা প্রথমে তা জানতেই পারছেন না। লোন নেওয়ার পর যতদিন না তা শোধ হচ্ছে, ততদিন সিবিল স্কোর কম থাকে। হঠাৎ, সিবিল স্কোর কেন কমল, সেই খোঁজ করতে গিয়েই গ্রাহকরা বিপদ সম্পর্কে অবগত হচ্ছেন যে তাঁর নামে মোটা অঙ্কের ঋণ চলছে!
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাসহ রাজ্যের একাধিক থানা এলাকায় এই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। সম্প্রতি, সল্টলেক সেক্টর ফাইভে কর্মরত আইটি কর্মী অমিত সিনহার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছে। অমিত সিনহা নামেই এক প্রতারক তাঁর ভুয়ো আধার ও প্যান কার্ড বানিয়ে ৯ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিল। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস তদন্তে নেমে ওই ঘটনার কিনারাও করেছে। অভিযুক্ত অমিতকে গ্রেপ্তার করে ৬ লক্ষ টাকা উদ্ধারও করা হয়েছে।
সাইবার বিশেষজ্ঞ ও পুলিসের দাবি, মাঝে মাঝে সিবিল স্কোর চেক করা ভালো। সন্দেহজনক কিছু মনে হলেই সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান। তা না-হলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কিন্তু, গ্রাহকের নথি কীভাবে প্রতারকদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে? সাইবার বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ওই ডেটা এখন চোরাবাজারে বিক্রি হচ্ছে জলের দরে! সেই সুযোগকেই কাজে লাগাচ্ছে প্রতারকরা। ঋণ নিয়ে প্রতারণার জন্য তারা একই নামের ডেটাও কিনছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানাসহ রাজ্যের একাধিক থানা এলাকায় এই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। সম্প্রতি, সল্টলেক সেক্টর ফাইভে কর্মরত আইটি কর্মী অমিত সিনহার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছে। অমিত সিনহা নামেই এক প্রতারক তাঁর ভুয়ো আধার ও প্যান কার্ড বানিয়ে ৯ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিল। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস তদন্তে নেমে ওই ঘটনার কিনারাও করেছে। অভিযুক্ত অমিতকে গ্রেপ্তার করে ৬ লক্ষ টাকা উদ্ধারও করা হয়েছে।
সাইবার বিশেষজ্ঞ ও পুলিসের দাবি, মাঝে মাঝে সিবিল স্কোর চেক করা ভালো। সন্দেহজনক কিছু মনে হলেই সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান। তা না-হলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। কিন্তু, গ্রাহকের নথি কীভাবে প্রতারকদের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে? সাইবার বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ওই ডেটা এখন চোরাবাজারে বিক্রি হচ্ছে জলের দরে! সেই সুযোগকেই কাজে লাগাচ্ছে প্রতারকরা। ঋণ নিয়ে প্রতারণার জন্য তারা একই নামের ডেটাও কিনছে।



