সংবাদদাতা, দিনহাটা: একটি বাড়ি দু’জনের কাছে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্বিতীয় ক্রেতা দিনহাটা থানায় তা জানান। বৃহস্পতিবার ওই বিজেপির নেতাকে দিনহাটা থানায় ডেকে জিজ্ঞেসাবাদ করে পুলিস। পুলিসি জেরার মুখে ঘটনার কথা স্বীকার করে নেন ওই নেতা। ৩০ লক্ষ টাকা এদিনই ফেরত দেন। ২৩ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আরও ১৫ দিন সময় নেন। পুলিসের কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ না হওয়ায় পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
Advertisement
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষী নিয়ে ঘোরাফেরা করেন ওই বিজেপি নেতা। এহেন নেতার এইরকম ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় কটাক্ষ করছে তৃণমূল। প্রসঙ্গত, ওই বিজেপি নেতা আগে তৃণমূলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দিনহাটা-২ ব্লকের একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। দল বিরোধী কাজের জন্য তৃণমূল তাঁকে বহিষ্কার করে। পরবর্তীতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। বিজেপি যোগ দিতেই মেলে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষী। আর রক্ষী নিয়েই তিনি ঘোরাফেরা করেন। দিনহাটা শহরে একটি বাড়ি ছিল। সেই বাড়িটি বিক্রি করেন হোকদহের এক বাসিন্দার কাছে। পরবর্তীতে দিনহাটা শহরের আরও এক বাসিন্দাকে বাড়িটি বিক্রি করেন। ৫৩ লক্ষ টাকা দিয়ে বাড়ি কিনলেও দখল না পেয়ে দ্বিতীয় ক্রেতা খোঁজখবর শুরু করেন। জানতে পারেন বাড়িটি একজনের নামে নথিভুক্ত হয়েছে। এরপর বিজেপি নেতার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন। বারবার তাগাদা দেওয়ার পরেও টাকা না মেলায় থানায় মৌখিকভাবে জানান ওই ক্রেতা। পুলিস নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে নিয়ে আসে। এদিন ৩০ লক্ষ টাকা ফেরত দেন। বাকি টাকা শীঘ্রই দেওয়ার আশ্বাস দেন। ওই ব্যক্তি তাই নেতার নামে লিখিতভাবে অভিযোগ করেননি।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, বিজেপি নেতাদের চরিত্র এই ঘটনায় প্রকাশ্যে এসেছে। এমন নেতাদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষীর ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। বিজেপির কোচবিহার জেলা সম্পাদক জীবেশ বিশ্বাস বলেন, ওটা ওই নেতার ব্যক্তিগত বিষয়। এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করব না।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, বিজেপি নেতাদের চরিত্র এই ঘটনায় প্রকাশ্যে এসেছে। এমন নেতাদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষীর ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। বিজেপির কোচবিহার জেলা সম্পাদক জীবেশ বিশ্বাস বলেন, ওটা ওই নেতার ব্যক্তিগত বিষয়। এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করব না।



