সংবাদদাতা, করিমপুর: একটি শিক্ষাবর্ষ শেষ হয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের পঠনপাঠন শুরু হয়ে গিয়েছে। অথচ করিমপুরের স্কুলগুলিতে সরকারের দেওয়া দু’টির জায়গায় কেউ একটি পোশাক পেয়েছে। আবার বহু স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা তাও পায়নি। যা নিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
Advertisement
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলের পোশাকের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ সরাসরি স্কুলে আসত। ৪০০ টাকা করে পড়ুয়াদের হাতে তুলে দিত স্কুল কর্তৃপক্ষ। তারপর বন্ধ হয়ে যায় সরাসরি টাকা দেওয়া। দায়িত্ব দেওয়া হয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উপর। পোশাকের জন্য বরাদ্দ বেড়ে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা করা হয়। তখন পোশাকের কাপড়ের নমুনা দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ জামা-প্যান্টের কাপড় পছন্দ করত এবং সেই কাপড়ের পোশাক ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হতো। এখন ছাত্রছাত্রীদের জামা-প্যান্টের জন্য মাপ নেওয়া হয়। পরে সেই পোশাক তৈরি করে দেওয়া হয়। কিন্তু, ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষ শেষ হয়ে নতুন বছরের ক্লাস চালু হয়েছে। কিন্তু, অনেক স্কুলে এখনও আগের বছরের পোশাক দেওয়া হয়নি। কোনও স্কুলে দুই সেটের বদলে এক সেট দেওয়া হয়েছে।
করিমপুর চক্রে মোট ১৭টি হাইস্কুল ও ৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৩৫ হাজার ৭৩২ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ২১ হাজার ২৩১ জন পোশাক পেয়েছে। ১৪ হাজার ৫০১ জন ছাত্রছাত্রী এখনও তা পায়নি। রানিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পীযূষ জোয়ারদার বলেন, এই স্কুলে প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ৩৯ জন ছাত্রছাত্রী পড়ে। সকলেই খুব দুঃস্থ পরিবারের। তাদের কাছে মিড ডে মিল যেমন দুপুরের খাবারের ভরসা, তেমনই স্কুলের দেওয়া দুই সেট পোশাকও খুবই প্রয়োজনীয়। অথচ এবছর সকলে এক সেট হাফহাতা জামা ও হাফপ্যান্ট পেলেও ফুলহাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট পায়নি। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীকে জানিয়েও কাজ হয়নি।
কেচুয়াডাঙা বিধানচন্দ্র বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, স্কুলের ৪৩৬ জন পড়ুয়া একটি হাফহাতা জামা পেয়েছে। কিন্তু, সেটের প্যান্ট কেউ পায়নি। আর ফুল প্যান্ট ও জামার দ্বিতীয় সেট আদৌ পাওয়া যাবে কি না জানা নেই।
করিমপুর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সোমদেব মজুমদার বলেন, যে সকল স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বিডিও অফিস থেকে স্কুলভিত্তিক বাংলার শিক্ষা পোর্টালে ট্যাগ করে দেওয়া হয়েছে, সেই সকল গোষ্ঠীকে প্রাইমারি স্কুলের ক্ষেত্রে আমার অফিস থেকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। আর হাইস্কুল বা জুনিয়র হাইস্কুলের ক্ষেত্রে সেই স্কুল ওয়ার্ক অর্ডার দেয়। ব্লক অফিস তাদের কাপড় এবং মজুরি দেয়। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিনিয়ত রিপোর্ট পাঠিয়েছি। তারপরেও তাদের পোশাক মেলেনি।
করিমপুর চক্রে মোট ১৭টি হাইস্কুল ও ৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৩৫ হাজার ৭৩২ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ২১ হাজার ২৩১ জন পোশাক পেয়েছে। ১৪ হাজার ৫০১ জন ছাত্রছাত্রী এখনও তা পায়নি। রানিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পীযূষ জোয়ারদার বলেন, এই স্কুলে প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ৩৯ জন ছাত্রছাত্রী পড়ে। সকলেই খুব দুঃস্থ পরিবারের। তাদের কাছে মিড ডে মিল যেমন দুপুরের খাবারের ভরসা, তেমনই স্কুলের দেওয়া দুই সেট পোশাকও খুবই প্রয়োজনীয়। অথচ এবছর সকলে এক সেট হাফহাতা জামা ও হাফপ্যান্ট পেলেও ফুলহাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট পায়নি। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীকে জানিয়েও কাজ হয়নি।
কেচুয়াডাঙা বিধানচন্দ্র বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, স্কুলের ৪৩৬ জন পড়ুয়া একটি হাফহাতা জামা পেয়েছে। কিন্তু, সেটের প্যান্ট কেউ পায়নি। আর ফুল প্যান্ট ও জামার দ্বিতীয় সেট আদৌ পাওয়া যাবে কি না জানা নেই।
করিমপুর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সোমদেব মজুমদার বলেন, যে সকল স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে বিডিও অফিস থেকে স্কুলভিত্তিক বাংলার শিক্ষা পোর্টালে ট্যাগ করে দেওয়া হয়েছে, সেই সকল গোষ্ঠীকে প্রাইমারি স্কুলের ক্ষেত্রে আমার অফিস থেকে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। আর হাইস্কুল বা জুনিয়র হাইস্কুলের ক্ষেত্রে সেই স্কুল ওয়ার্ক অর্ডার দেয়। ব্লক অফিস তাদের কাপড় এবং মজুরি দেয়। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিনিয়ত রিপোর্ট পাঠিয়েছি। তারপরেও তাদের পোশাক মেলেনি।



