বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: বজবজ শহরের ব্যস্ততম চড়িয়াল সড়ক সেতুর সংযোগকারী রাস্তার তলা থেকে জলের পাইপলাইন সরাতে এক বছর আগে, ২০২৪ সালের শুরুতে কেএমডিএ-কে টাকা দিয়েছিল পূর্তদপ্তর। কিন্তু নতুন বছর পড়লেও সেই কাজ হয়নি। এই অবস্থায় চড়িয়াল সড়ক সেতু সংযোগকারী রাস্তার তলায় পাইপে চোরা লিকেজ শুরু হয়েছে। তার জেরে রাস্তা বসতে শুরু করেছে। সেই লিকেজ খুঁজে মেরামত করতে গিয়ে কেএমডিএ একটি লেনের রাস্তা বন্ধ করে দু’দিন ধরে কাজ করেছে। প্রশাসনের একটি অংশের কথায়, টাকা পাওয়ার পর তা ফেলে না রাখলে এই চোরা লিকেজের বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করার কোনও প্রয়োজনও হতো না। এদিকে, কেএমডিএ-র দাবি, খুব শীঘ্রই এই কাজ হয়ে যাবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চড়িয়াল সড়ক সেতু নতুন করে যখন তৈরি হয়, তখনই সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে, সেতুর নীচে কোনও জলের পাইপ আর রাখা হবে না। কারণ, পাইপে চোর লিকেজ হলে তা বের করা মুশকিল হয়ে যায়। তখন রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে হয়। এর জেরে যান চলাচলও বিপর্যস্ত হয়। সেই কারণে সড়ক সেতুর উত্তর অংশের পাইপ আলাদা করে ট্রেসেল ব্রিজের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ দিকের সড়ক সেতুর পুজালি যাওয়ার দিকের রাস্তার তলার পাইপলাইন তোলা হয়নি। ২০২৪ সালে পূর্তদপ্তর এই পাইপ সরাতেই ১ কোটি ২৬ লাখ ২১ হাজার ৭৬১ টাকা দিয়েছিল কেএমডিএ-কে। কিন্তু কেন সেই কাজ হল না? কেএমডিএ-র সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই পাইপ রাস্তার তলা থেকে সরিয়ে আলাদা ট্রেসেল ব্রিজ করে নিয়ে যেতে হবে। এজন্য চড়িয়াল খালের অংশ ব্যবহার করতে হবে। এজন্য সেচদপ্তরের নো অবজেকশন পেতে হবে। কেএমডিএ-র পাঠানো ট্রেসেল ব্রিজ-এর নকশা সেচদপ্তর দু’তিনবার বদল করেছে। এইসব কাজের জন্য অনেকটা সময় চলে গিয়েছে। কেএমডিএ অবশ্য জানিয়েছে, সরকারি নিয়ম পালন করতে গিয়ে এই বিলম্ব। তবে নো অবজেকশন হাতে এসেছে। কাজও শীঘ্র শুরু হয়ে যাবে।



