সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: প্রাণী চিকিৎসক নেই ধূপগুড়ি মহকুমা প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। একবছর ধরে তাই পরিষেবা অমিল ধূপগুড়ির বিডিও অফিস সংলগ্ন হাসপাতালটিতে। ফলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীকেই দিতে হচ্ছে ওষুধ। ফলে প্রাণী পালন নিয়ে কার্যত বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ। যদিও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ধূপগুড়ির বিডিও সঞ্জয় প্রধান। তাঁর বক্তব্য, যত দ্রুত সম্ভব প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের ব্লক আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
স্বাস্থ্যকেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, এখান থেকে চিকিৎসক বদলি হয়েছেন ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে। সেই থেকে ফাঁকা পড়ে ধূপগুড়ি ব্লকের একমাত্র প্রাণী চিকিৎসকের পদ। ফলে মিলছে না পরিষেবা। ব্লক প্রাণিসম্পদ আধিকারিক নিজেও একজন প্রাণী চিকিৎসক। তবে তিনি প্রশাসনিক কাজ সামলান। ওই কাজ সেরে পশুর চিকিৎসা করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় যারা গোরু, ছাগল, শুয়োরের খাটাল চালান তাঁরা পড়েছেন চরম সমস্যায়। আর এই সুযোগে মোটা টাকা ভিজিট নিয়ে প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন বাইরের একাংশ চিকিৎসক।
রাকেশ ঘোষ নামে এক বাসিন্দা বলেন, বাড়ির গোরু, ছাগল অসুস্থ হলে রোগ নিরাময়ে চিকিৎসক দেখাতে বাইরে থেকে ডাক্তারবাবুকে এনে ভিজিট এবং গাড়িভাড়া দিতে গিয়ে অনেক টাকা লাগছে। ডাউকিমারির সুজিত সরকার বলেন, পোষ্য থেকে শুরু করে গবাদিপশুর অসুখের জন্য চিকিৎসক দেখাতে হয়। কিন্তু অনেকদিন ধরেই হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। দ্রুত প্রাণী চিকিৎসক নিয়োগ করা উচিত কর্তৃপক্ষের।
রাকেশ ঘোষ নামে এক বাসিন্দা বলেন, বাড়ির গোরু, ছাগল অসুস্থ হলে রোগ নিরাময়ে চিকিৎসক দেখাতে বাইরে থেকে ডাক্তারবাবুকে এনে ভিজিট এবং গাড়িভাড়া দিতে গিয়ে অনেক টাকা লাগছে। ডাউকিমারির সুজিত সরকার বলেন, পোষ্য থেকে শুরু করে গবাদিপশুর অসুখের জন্য চিকিৎসক দেখাতে হয়। কিন্তু অনেকদিন ধরেই হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। দ্রুত প্রাণী চিকিৎসক নিয়োগ করা উচিত কর্তৃপক্ষের।



