সংবাদদাতা, বহরমপুর: এক খরচে একই জমিতে তিন ফসলের চাষের দিশা দেখিয়েছে মুর্শিদাবাদের চাষিরা। এতদিন আলুর জমিতে আলুর সঙ্গে মুলো ও কুমড়ো চাষে চাষিরা লাভের মুখ দেখেছেন।
Advertisement
একই জমিতে অনেকে আবার তারসঙ্গে পালং শাকের চাষও করেন। এবার আলুর জমিতে করলা চাষ করে ব্যাপক লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন চাষিরা। চাষিদের দাবি, আলু ওঠার আগে থেকেই করলা উঠতে শুরু করেছে। দামও ভালো মিলছে। এরপর সপ্তাহে বিঘা প্রতি জমিতে তিন কুইন্টাল পর্যন্ত করলা উঠবে বলেই জানিয়েছেন চাষিরা। এবার রোগ পোকার হামলা কম হওয়ায় কীটনাশকের খরচেও সাশ্রয় হচ্ছে।
মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা আলুর জমিতে মুলো ও কুমড়ো চাষ করেন। আলুর জমিতে প্রথমবার সেচ দেওয়ার পরই চাষিরা আলুর সারিতে মুলো ও কুমড়োর বীজ পুঁতে দেন। পূর্ণ বয়সে আলু উঠতে সময় লাগে ৬৫ দিন। তার আগে থেকেই মুলো উঠতে শুরু করে। বড়ঞা ব্লকের আলু চাষি আনন্দ পাল বলেন, এক বিঘা জমিতে প্রায় এক কুইন্টাল মুলো হয়। তাতে আলুর গাছের কোন ক্ষতিও হয় না। এবার শুরুতে মুলো ভালো দামেই বিক্রি হয়েছে। আলু উঠতে উঠতে কুমড়ো গাছ লতা ছড়াতে শুরু করে।
আলু তোলার সময় সতর্ক হয়ে কুমড়ো গাছ বাঁচিয়ে রাখতে হয়। আলু ওঠার পর কুমড়ো গাছের জন্য সেচের ব্যবস্থা করতে হয়। লাহারপাড়া এলাকার কুমড়ো চাষি চন্দন মণ্ডল বলেন, বিঘা প্রতি জমিতে ৩৫-৪০ কুইন্টাল পর্যন্ত কুমড়ো হয়। কাঁচা অবস্থা থেকেই বিক্রি শুরু হয়। পাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীরা জমি থেকেই কিনে নিয়ে যান।
এবার আলুর জমিতে চাষিদের করলা চাষের প্রবনতা বেড়েছে। বড়ঞা ব্লকের ময়ূরাক্ষী নদীর বাঁধ বরাবর সুন্দরপুর, কয়থা, বৈদ্যনাথপুর, মালিয়ান্দি, পাঁচথুপি, বেলগ্রাম এলাকায় এবার আলুর জমিতে ব্যাপক করলা চাষ হয়েছে। আলু বসানোর সময় করলার বীজ পুঁততে হয়। বেলগ্রামের করলা চাষি সামশুল হক বলেন, মোট সাত বিঘা আলুর জমিতে করলা চাষ করেছি। আলু তোলার আগে থেকেই করলা তুলতে শুরু করেছিলাম। ২০০-২৫০ টাকা পাল্লা (পাঁচ কেজি) হিসেবে বিক্রি করেছি। সামশুল হক জানালেন, আলু তোলার পর সাত বিঘা জমিতে ইউরিয়া, সর্ষের খোল ও নাইট্রোজেন, পটাশের মিশ্রণ দিয়েছি। খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা। জলসেচ করে শ্রমিক দিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে সপ্তাহে তিন কুইন্টাল করলা তুলব। করলা চাষে এবার লাভ হবে। আলুর জমিতে করলা চাষে লাভ হওয়ায় বহু চাষি সেদিকেই ঝুঁকেছেন। - প্রতীকী চিত্র
মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা আলুর জমিতে মুলো ও কুমড়ো চাষ করেন। আলুর জমিতে প্রথমবার সেচ দেওয়ার পরই চাষিরা আলুর সারিতে মুলো ও কুমড়োর বীজ পুঁতে দেন। পূর্ণ বয়সে আলু উঠতে সময় লাগে ৬৫ দিন। তার আগে থেকেই মুলো উঠতে শুরু করে। বড়ঞা ব্লকের আলু চাষি আনন্দ পাল বলেন, এক বিঘা জমিতে প্রায় এক কুইন্টাল মুলো হয়। তাতে আলুর গাছের কোন ক্ষতিও হয় না। এবার শুরুতে মুলো ভালো দামেই বিক্রি হয়েছে। আলু উঠতে উঠতে কুমড়ো গাছ লতা ছড়াতে শুরু করে।
আলু তোলার সময় সতর্ক হয়ে কুমড়ো গাছ বাঁচিয়ে রাখতে হয়। আলু ওঠার পর কুমড়ো গাছের জন্য সেচের ব্যবস্থা করতে হয়। লাহারপাড়া এলাকার কুমড়ো চাষি চন্দন মণ্ডল বলেন, বিঘা প্রতি জমিতে ৩৫-৪০ কুইন্টাল পর্যন্ত কুমড়ো হয়। কাঁচা অবস্থা থেকেই বিক্রি শুরু হয়। পাকা অবস্থায় ব্যবসায়ীরা জমি থেকেই কিনে নিয়ে যান।
এবার আলুর জমিতে চাষিদের করলা চাষের প্রবনতা বেড়েছে। বড়ঞা ব্লকের ময়ূরাক্ষী নদীর বাঁধ বরাবর সুন্দরপুর, কয়থা, বৈদ্যনাথপুর, মালিয়ান্দি, পাঁচথুপি, বেলগ্রাম এলাকায় এবার আলুর জমিতে ব্যাপক করলা চাষ হয়েছে। আলু বসানোর সময় করলার বীজ পুঁততে হয়। বেলগ্রামের করলা চাষি সামশুল হক বলেন, মোট সাত বিঘা আলুর জমিতে করলা চাষ করেছি। আলু তোলার আগে থেকেই করলা তুলতে শুরু করেছিলাম। ২০০-২৫০ টাকা পাল্লা (পাঁচ কেজি) হিসেবে বিক্রি করেছি। সামশুল হক জানালেন, আলু তোলার পর সাত বিঘা জমিতে ইউরিয়া, সর্ষের খোল ও নাইট্রোজেন, পটাশের মিশ্রণ দিয়েছি। খরচ হয়েছে ৩ হাজার ৬৫০ টাকা। জলসেচ করে শ্রমিক দিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে সপ্তাহে তিন কুইন্টাল করলা তুলব। করলা চাষে এবার লাভ হবে। আলুর জমিতে করলা চাষে লাভ হওয়ায় বহু চাষি সেদিকেই ঝুঁকেছেন। - প্রতীকী চিত্র



