Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘এক ডাকে অভিষেক’, পুরুলিয়ায় ঘোষণা সেকেন্ড ইন কমান্ডের,নেতাদের মন্দ আচরণ দেখলেই ফোন করুন

তাঁদের খারাপ ব্যবহারের মাশুল যেন দলকে গুনতে না হয়, সে ব্যাপারে পুরুলিয়ার দলীয় নেতাদের সর্তক করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘এক ডাকে অভিষেক’, পুরুলিয়ায় ঘোষণা সেকেন্ড ইন কমান্ডের,নেতাদের মন্দ আচরণ দেখলেই ফোন করুন
  • ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: তাঁদের খারাপ ব্যবহারের মাশুল যেন দলকে গুনতে না হয়, সে ব্যাপারে পুরুলিয়ার দলীয় নেতাদের সর্তক করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার পুরুলিয়ার লধুড়কার সভা থেকে  দলের নেতা কর্মীদের সেই বার্তা দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেই সঙ্গে পুরুলিয়া জেলাকে ফের সবুজ করার আহ্বান জানান তিনি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া জেলাতে গত কয়েকটি নির্বাচনে পরপর খারাপ ফল করেছে তৃণমূল। সেই পরিসংখ্যান সভায় তুলে ধরেছেন তিনি। ২০২১ সালের বিধানসভা নিবরাচনে ৯টির মধ্যে ৬টি আসনে হেরে যায় তৃণমূল। পরে ২০২৪ সালের লোকসভাতেও পুরুলিয়া আসনে হারতে হয়েছে দলকে। পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের একাংশের খারাপ ব্যবহারের জন্যও অনেক জায়গায় দলকে ভরাডুবির মুখে পড়তে হয়েছে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তাই আগে থেকে দলের নেতাকর্মীদের সর্তক করে দিলেন অভিষেক। তিনি বলেন, তৃণমূলের কোনও স্থানীয় পদাধিকারী যদি কোনওরকম খারাপ আচরণ করে, খারাপ ব্যবহার করে, তাহলে ‘এক ডাকে অভিষেক’-এ ফোন করে আমাকে সরাসরি জানাবেন। কিন্তু তাঁদের জন্য তৃণমূলের থেকে মুখ ফেরাবেন না। পুরুলিয়ার মানুষের কাছে এটা একান্ত অনুরোধ। ভোট যাকেই দেবেন, তা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া ভোট এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য ভোট। তিনি আরও বলেন, ১৯৯৮ সালে নিজের অধিকারের জন্য লড়াই করতে গিয়ে সিপিএমের দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হতে হয় বাঘমুন্ডির প্রধান সিং মুড়াকে। শ্রমিকদের ন্যায়ের স্বার্থে সে লড়াই করতে গিয়েছিল। ২০১০ সালে বাংলার সরকার পরিবর্তনের ঠিক আগে ঝালদাতে প্রধান সহ ৭ জনকে মাঠে ডেকে মাওবাদীরা খুন করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার পর কতজন মারা গিয়েছে, ক’টা মাওবাদী নাশকতার ঘটনা ঘটেছে তা বলতে পারবেন। মোদিবাবু সহ যাঁরা বড়বড় ভাষন দেন, ২০১১ সালের আগে পুরুলিয়ার মাটিতে তাঁদের টিকিটাও খুঁজে পাওয়া যেত না। এখন আসছেন, বড়বড় কথা বলছেন, কারণ শান্তিশৃঙ্খলা আছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মাওবাদী ও সিপিএমের বোমা বন্দুকের নীচে মাথা নীচু করে বেঁচে থাকতে হতো। এটা ভুলে গেলে চলবে না। এদিনের সভা থেকে ছাত্রযুবদের উদ্দে঩শ্যে অভিষেক বলেন, সতীর্থ সমবয়সি যাঁরা, তাঁদের মনে রাখতে হবে আগামীর ভোট প্রতিবাদের ভোট। প্রতিরোধ ও প্রতিশোধের ভোট। তিনি আরও বলেন, যাঁরা ভোট দিয়েছেন তাঁদের জন্যও তৃণমূল উন্নয়ন করছে। যারা ভোট দেননি তাঁদের জন্যও উন্নয়নের কাজ করে চলেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ