নয়াদিল্লি (পিটিআই): ভারতেও এবার হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি)-এর সংক্রমণের থাবা! নিয়মমাফিক নজরদারির সময় দেশের দুই রাজ্য—কর্ণাটক, গুজরাতে মোট তিনজন আক্রান্তের খবর মিলেছে। তাদের কারও বিদেশ সফরের কোনও ইতিহাস নেই। বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, ‘এইচএমপিভি নতুন কোনও ভাইরাস নয়। ২০০১ সালে এই ভাইরাসের দেখা মিলেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে চীনে এই সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। সেখানকার পরিস্থিতির উপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক ও আইসিএমআর।’ একই সুর শোনা গিয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘এনিয়ে আতঙ্ক ছড়াবেন না। মুখ্যসচিব ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এখনও নির্দিষ্ট গাইডলাইন দেয়নি। নির্দেশ পেলে আমরা সেইমতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
Advertisement
সোমবার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) তরফে বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে ব্রঙ্কোনিউমোনিয়ায় আক্রান্ত তিনমাসের এক শিশুর চিকিৎসা চলছিল। তখনই তার শরীরে এইচএমপিভি ভাইরাস ধরা পড়ে। ইতিমধ্যে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই হাসপাতালেই ব্রঙ্কোনিউমোনিয়ায় আক্রান্ত আট মাসের এক শিশুর দেহেও গত ৩ জানুয়ারি এইচএমপিভি ভাইরাস ধরা পড়েছে। ওই শিশুটিও সুস্থ হয়ে উঠছে।
কর্ণাটকের পাশাপাশি গুজরাতের আমেদাবাদে এইচএমপিভি সংক্রমণের খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, রাজস্থানের দুঙ্গারপুর থেকে শ্বাসকষ্টের চিকিৎসার জন্য দু’মাসের একটি শিশুকে গুজরাতে আনা হয়েছিল। প্রথমে তাকে ভেল্টিলেশনে রাখা হলেও এখন শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল। এদিকে, মাসদুয়েক আগে মুম্বই থেকে বাংলায় আসা এক শিশুর দেহেও এইচএমপিভি ভাইরাস মিলেছিল। যদিও ১৫ দিন চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সূত্রের খবর, শিশুদের দেহে এইচএমপিভি ভাইরাস মিললেও তার সঙ্গে চীনের ভ্যারিয়েন্টের কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। আক্রান্ত তিনটি ঘটনাই প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণ বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের।
কর্ণাটকের পাশাপাশি গুজরাতের আমেদাবাদে এইচএমপিভি সংক্রমণের খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, রাজস্থানের দুঙ্গারপুর থেকে শ্বাসকষ্টের চিকিৎসার জন্য দু’মাসের একটি শিশুকে গুজরাতে আনা হয়েছিল। প্রথমে তাকে ভেল্টিলেশনে রাখা হলেও এখন শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল। এদিকে, মাসদুয়েক আগে মুম্বই থেকে বাংলায় আসা এক শিশুর দেহেও এইচএমপিভি ভাইরাস মিলেছিল। যদিও ১৫ দিন চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সূত্রের খবর, শিশুদের দেহে এইচএমপিভি ভাইরাস মিললেও তার সঙ্গে চীনের ভ্যারিয়েন্টের কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। আক্রান্ত তিনটি ঘটনাই প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণ বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের।



