নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কলেজের জমি জলের দরে বিক্রির ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত চেয়ে প্রশাসনকে চিঠি দিচ্ছে এগরা কলেজ পরিচালন কমিটি। শনিবার ওই কমিটি জরুরিভিত্তিতে মিটিংয়ে বসে। সকাল ১১টা ১৫মিনিট থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মিটিং হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কমিটির সভাপতি তথা এগরার বিধায়ক তরুণকুমার মাইতি এনিয়ে মহকুমা শাসককে চিঠি দেবেন। উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জমি বিক্রির ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি জানানো হবে। এই ঘটনায় কোনও অনিয়ম হলে এবং তাতে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও চিঠিতে থাকছে।
Advertisement
এদিন মিটিং চলাকালীন কলেজের ছাত্রছাত্রীদের একাংশ টিআইসি এবং পরিচালন কমিটির সভাপতিকে ডেপুটেশন দিয়েছেন। জমি কেনাবেচার পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে এনে এরসঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান ছাত্রছাত্রীরা। এদিন কলেজ পরিচালন কমিটির মিটিং শেষে সভাপতি তরুণবাবু বলেন, আমি মহকুমা শাসককে চিঠি লিখেছি। সোমবারই এসডিও ওই চিঠি পেয়ে যাবেন। সেখানে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়ে জমি কেনাবেচার তদন্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তে অনিয়ম ধরা পড়লে তানিয়ে পদক্ষেপ নিতেও বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ৩১ জানুয়ারি এগরা সারদা শশীভূষণ কলেজ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রিন্সিপাল দীপককুমার তামলি। তার দু’দিন আগে ২৮ জানুয়ারি কলেজের নামে থাকা প্রচুর সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমান দামের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ দরে জমি বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, তৃণমূল নেতাদের আত্মীয়রা রাজ্য সড়কের ধারে বহুমূল্য ওই জমি কিনেছেন।
ক্রেতার তালিকায় তৃণমূলের এগরা শহর সভাপতি উদয় পালের শাশুড়ি পম্পা নন্দ, ওই পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির তৃণমূলের সভাপতি গৌতম আচার্যের জামাই কৃষ্ণেন্দু মাইতি প্রমুখ আছেন। শহরের ভিতর রাজ্য সড়কের ধারে একেবারে জলের দরে জমি বিক্রি করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা উদয়বাবু ওই কলেজের অশিক্ষক কর্মী। গৌতমবাবু ওই কলেজের পার্টটাইম শিক্ষক।
এছাড়াও এগরা পুরসভার জগন্নাথপুর মৌজায় কলেজের নামে থাকা ধনঞ্জয় সাউ ৩৭ডেসিমল, প্রশান্ত মাইতি ২৫ ডেসিমল এবং কানাই গিরি ২৫ ডেসিমল জমি কিনেছেন। সব জমি রেজিস্ট্রি করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ। ওই মৌজায় প্রতি ডেসিমল মাত্র ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এগরা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তিন বর্গাদার পরেশ শীট, প্রফুল্ল শীট ও নিরঞ্জন শীট দীর্ঘদিন ধরে কলেজের কিছু সম্পত্তি দখল রেখেছিলেন। তাঁদের ম্যানেজ করে দখলমুক্ত করার পর সম্পত্তি বিক্রি করা হয়। এজন্য ওই বর্গাদারদের প্রত্যেককে ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
কলেজের জমি জলের দরে বিক্রির ঘটনায় পরিচালন কমিটির সভাপতি তরুণকুমার মাইতির ভূমিকাও আতস কাচের তলায়। কারণ, কলেজের অ্যাকাউন্টে যুগ্মভাবে অপারেটর হলেন প্রিন্সিপাল ও গভর্নিং বডির সভাপতি। জমি বিক্রির পর সেই টাকা অ্যাকাউন্টে এসেছে। তারপর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা দেওয়া হয়েছে তিন বর্গাদারকে। আরও টাকা কোনও অ্যাকাউন্টে গিয়েছে কিনা সেটা তদন্তসাপেক্ষ। তরুণবাবুর সম্মতি ছাড়া কীভাবে এই টাকা লেনদেন হল তানিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাছাড়া, কলেজ পরিচালন কমিটির রেজ্যুলিউশন ছাড়া অধ্যক্ষ কলেজের সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন না। গত ১৭ ডিসেম্বর কলেজ পরিচালন কমিটির সভায় জমি বিক্রিকে এজেন্ডা রেখে আলোচনা হয়েছিল। তাই গভর্নিং বডির সভাপতির ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে।
তরুণবাবু বলেন, অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। তাছাড়া প্রিন্সিপাল ৩১ তারিখ অবসর নেন। জমি কেনাবেচা হয়েছে ২৮ তারিখ। অল্প সময়ের মধ্যে সবটা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ৩১ জানুয়ারি এগরা সারদা শশীভূষণ কলেজ থেকে অবসর নিয়েছেন প্রিন্সিপাল দীপককুমার তামলি। তার দু’দিন আগে ২৮ জানুয়ারি কলেজের নামে থাকা প্রচুর সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমান দামের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ দরে জমি বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, তৃণমূল নেতাদের আত্মীয়রা রাজ্য সড়কের ধারে বহুমূল্য ওই জমি কিনেছেন।
ক্রেতার তালিকায় তৃণমূলের এগরা শহর সভাপতি উদয় পালের শাশুড়ি পম্পা নন্দ, ওই পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির তৃণমূলের সভাপতি গৌতম আচার্যের জামাই কৃষ্ণেন্দু মাইতি প্রমুখ আছেন। শহরের ভিতর রাজ্য সড়কের ধারে একেবারে জলের দরে জমি বিক্রি করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা উদয়বাবু ওই কলেজের অশিক্ষক কর্মী। গৌতমবাবু ওই কলেজের পার্টটাইম শিক্ষক।
এছাড়াও এগরা পুরসভার জগন্নাথপুর মৌজায় কলেজের নামে থাকা ধনঞ্জয় সাউ ৩৭ডেসিমল, প্রশান্ত মাইতি ২৫ ডেসিমল এবং কানাই গিরি ২৫ ডেসিমল জমি কিনেছেন। সব জমি রেজিস্ট্রি করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ। ওই মৌজায় প্রতি ডেসিমল মাত্র ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এগরা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তিন বর্গাদার পরেশ শীট, প্রফুল্ল শীট ও নিরঞ্জন শীট দীর্ঘদিন ধরে কলেজের কিছু সম্পত্তি দখল রেখেছিলেন। তাঁদের ম্যানেজ করে দখলমুক্ত করার পর সম্পত্তি বিক্রি করা হয়। এজন্য ওই বর্গাদারদের প্রত্যেককে ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।
কলেজের জমি জলের দরে বিক্রির ঘটনায় পরিচালন কমিটির সভাপতি তরুণকুমার মাইতির ভূমিকাও আতস কাচের তলায়। কারণ, কলেজের অ্যাকাউন্টে যুগ্মভাবে অপারেটর হলেন প্রিন্সিপাল ও গভর্নিং বডির সভাপতি। জমি বিক্রির পর সেই টাকা অ্যাকাউন্টে এসেছে। তারপর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা দেওয়া হয়েছে তিন বর্গাদারকে। আরও টাকা কোনও অ্যাকাউন্টে গিয়েছে কিনা সেটা তদন্তসাপেক্ষ। তরুণবাবুর সম্মতি ছাড়া কীভাবে এই টাকা লেনদেন হল তানিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাছাড়া, কলেজ পরিচালন কমিটির রেজ্যুলিউশন ছাড়া অধ্যক্ষ কলেজের সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন না। গত ১৭ ডিসেম্বর কলেজ পরিচালন কমিটির সভায় জমি বিক্রিকে এজেন্ডা রেখে আলোচনা হয়েছিল। তাই গভর্নিং বডির সভাপতির ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে।
তরুণবাবু বলেন, অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। তাছাড়া প্রিন্সিপাল ৩১ তারিখ অবসর নেন। জমি কেনাবেচা হয়েছে ২৮ তারিখ। অল্প সময়ের মধ্যে সবটা হয়েছে।



