সংবাদদাতা, কাঁথি: এগরায় এক বাংলাদেশি সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। এই ঘটনায় এগরা থানার মির্জাপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃত বাংলাদেশি যুবকের নাম ইব্রাহিম হোসেন। বাড়ি যশোর জেলার বারানিধির কদমতলা এলাকায়। ধৃত অপরজনের নাম কুরবান মণ্ডল। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার বুরুজ এলাকায়। শুক্রবার দু’জনকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তদন্তের স্বার্থে তাদের আটদিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। জানা গিয়েছে, মির্জাপুর এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে দু’টি ঘরে ইব্রাহিম ও কুরবান পরিবার নিয়ে ভাড়ায় থাকত। দুজনে গ্রামে গ্রামে ঘুরে আর্য়ুবেদিক ওষুধপত্র ফেরি করত। এখানে থাকাকালীন কুরবানের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী স্থানীয় নেগুয়া পুলিস ফাঁড়িতে নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের তদন্তে গিয়ে পুলিস জানতে পারে, সেখানে এক বাংলাদেশি ঘর ভাড়া নিয়ে রয়েছে— নাম ইব্রাহিম হোসেন। জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে বিভিন্ন জায়গায় ঘর ভাড়া নিয়ে থাকত সে। পুলিস বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিম ও কুরবানকে গ্রেপ্তার করে। বাংলাদেশিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে ওই বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। এগরা থানার আইসি অরুণকুমার খান বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা ধৃতদের জেরা করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক তন্ময় হাজরা বলেন, রাজ্য সরকার ও পুলিস-প্রশাসনের সক্রিয় মদতে পশ্চিমবঙ্গ অনুপ্রবেশকারীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে। এগরাও তার ব্যতিক্রম নয়। যে কোনও সময়ে জঙ্গি নাশকতা ঘটতে পারে। তার জন্য নিরপরাধ মানুষ কেন ভুগবেন? তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা বলেন, পুলিসের কাজ পুলিস করছে। বিজেপি শুধু অভিযোগ করার জন্যই করছে।



