নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অনুশীলনে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন নাওরেম মহেশ সিং। কবে মাঠে ফিরবেন তিনি? এমআরআই করানো হয় তাঁর। সূত্রের খবর, পুরোদস্তুর ফিট হয়ে মাঠে ফিরতে একমাস গড়িয়ে যেতে পারে! ফর্মে থাকা মহেশ না থাকলে তা বড় ধাক্কা ইস্ট বেঙ্গলের। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি আইএসএলে মাঠে নামছে ইস্ট বেঙ্গল। অস্কার ব্রিগেডের প্রতিপক্ষ নর্থইস্ট ইউনাইটেড। তার আগে মঙ্গলবার প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীনিধি ডেকানকে ২-১ গোলে হারাল লাল-হলুদ ব্রিগেড। রাজারহাটের সেন্টার অব এক্সেলেন্সের মাঠে আয়োজিত ম্যাচে দুই গোলদাতা বিষ্ণু ও জয় গুপ্তা। তবে প্র্যাকটিস ম্যাচে জয় নিয়ে ভাবতে নারাজ স্প্যানিশ কোচ। বরং কম্বিনেশন নিয়েই চিন্তিত তিনি। চোটের কারণে নাওরেম মহেশকে পাননি অস্কার। ছিলেন না সিবলে, রশিদ ও গিলও। ১৩ ম্যাচের লিগে চোট-আঘাত আসতেই পারে। সেক্ষেত্রে কীভাবে ড্যামেজ কন্ট্রোল সম্ভব? তারই মহড়া সারলেন লাল-হলুদ কোচ। কখনও আনোয়ার আলিকে রাইট-উইং ব্যাকে খেলালেন তিনি। কখনও মাঝমাঠে সাউল ও জিকসনকে ডাবল পিভট হিসাবে খেলানো হয়। উইং হাফের ভূমিকায় বেশ নজর টানেন এডমুন্ড লালরিনডিকা।
ইস্ট বেঙ্গলের বিদেশি স্ট্রাইকার ইউসেফ এখনও ভিসা পাননি। কিন্তু এই দলে তাঁর ভূমিকা কী হবে? সেই প্রশ্নও উঠছে। আইএসএলে প্রথম একাদশে ৪ বিদেশি খেলানো যায়। ইউসেফকে শুরু থেকে খেলানো মানে মাঝমাঠে বিদেশি কোটা কমাতেই হবে। সেক্ষেত্রে মিগুয়েল, সাউল, রশিদের ত্রিভুজ ভাঙা ছাড়া উপায় নেই। আসলে জমাট মিডফিল্ড মশালবাহিনীর আসল শক্তি। সেখানে কম্বিনেশন বদল করলে ব্যালান্স নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল দলের অন্যতম ফিডার। অন্যদিকে সাউল ও রশিদ স্ন্যাচার। তাঁরা ওয়ার্কলোড নেওয়ার ফলে অনেকটাই ফ্রি খেলতে পারেন মিগুয়েল। এক্ষেত্রে বিকল্প ভাবনা হিসাবে ডেভিডকে শুরু থেকে খেলানোর ভাবনাও মাথাচাড়া দিচ্ছে। সবমিলিয়ে প্রথম একাদশ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মহমেডান স্পোর্টিংয়ের বিরুদ্ধে আরও একটি ম্যাচ খেলার কথা ইস্ট বেঙ্গলের। সূত্রের খবর কেভিন, গিল, রশিদ সহ পূর্ণশক্তির দলকে নামাবেন অস্কার।



