


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জিততে হবে, অন্যথায় চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড় থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে ইস্ট বেঙ্গল। এমন রুদ্ধশ্বাস আবহেই মঙ্গলবার লাল-হলুদ ব্রিগেডের প্রতিপক্ষ ওড়িশা এফসি। পরদিন বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। স্বভাবতই যুবভারতীতে ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি মেলেনি। অগত্যা গোয়ার নেহেরু স্টেডিয়ামে খেলতে হবে গিল, সাউলদের। সেই মতো ম্যাচের দু’দিন আগে রবিবার বিকেলে গোয়া পৌঁছে গেল ইস্ট বেঙ্গল। কোচ অস্কার ব্রুজোঁর মন্তব্য, ‘পরিস্থিতির গুরুত্ব সম্পর্কে সবাই ওয়াকিবহাল। ৩ পয়েন্ট পেতেই হবে।’ উল্লেখ্য, বেঙ্গালুরু এফসি’র বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখায় ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েলকে ২ ম্যাচ নির্বাসিত করেছে ফেডারেশন। তাঁর অভাব ঢাকাই অস্কারের বড় চ্যালেঞ্জ।
ছ’বছর আগে আইএসএলে পা রেখেছিল মশাল বাহিনী। গোয়ার বাম্বোলিমে ওড়িশা এফসি’র বিরুদ্ধেই প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। মাণ্ডভী নদীর পাড়ে এবারও লাল-হলুদ সূর্যোদয়ের আশায় বুক বাঁধছেন সমর্থকরা। চলতি টুর্নামেন্টে ৮ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছেন বিপিন, এডমুন্ডরা। বাকি পাঁচ ম্যাচ কার্যত নক-আউট টুর্নামেন্ট ভেবেই খেলতে চান অস্কার। প্রতিপক্ষ হিসাবে অন্য দলগুলোর তুলনায় ওড়িশার ধার অনেকটাই কম। অমরিন্দার, রহিম আলিরা ৮ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে খাবি খাচ্ছেন। অগোছালো ওড়িশার বিরুদ্ধে আক্রমণের রোলার চালাতে চান অস্কার। গোয়ার আবহাওয়া নিয়েও চিন্তা রয়েছে। গরমের দোসর প্রবল আর্দ্রতা। ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীর থেকে প্রচুর ফ্লুইড বেরিয়ে যাবে। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে ক্লান্তি আসা স্বাভাবিক। শুরুতে গোল না পেলে রক্ষণ জমাট করে ফেলবে ওড়িশা। প্রয়োজনে জোড়া বিদেশি স্ট্রাইকারে দল সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে অস্কারের। সেক্ষেত্রে ইউসেফ এজেজ্জারির সঙ্গী হতে পারেন সোয়বার্গ। খুচরো চোট আঘাতে লাল-হলুদ কোচও বিব্রত।