Bartaman Logo
২১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ত্রাতা রিঙ্কু, স্বস্তির জয় কেকেআরের, লখনউয়ের হয়ে ৫ উইকেট মহসিনের, রানে ফিরলেন ঋষভ পন্থ

সুপার ওভারে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। রবিবার একানা স্টেডিয়ামে ১৫৫ রানের পুঁজি নিয়েও লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে দু’পয়েন্ট আদায় করল অজিঙ্কা রাহানের দল।

ত্রাতা রিঙ্কু, স্বস্তির জয় কেকেআরের, লখনউয়ের হয়ে ৫ উইকেট মহসিনের, রানে ফিরলেন ঋষভ পন্থ
  • ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: সুপার ওভারে নাটকীয় জয় ছিনিয়ে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। রবিবার একানা স্টেডিয়ামে ১৫৫ রানের পুঁজি নিয়েও লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে দু’পয়েন্ট আদায় করল অজিঙ্কা রাহানের দল। জবাবে ঋষভ পন্থ ব্রিগেডও তোলে সমসংখ্যক রান (১৫৫-৮)। সুপার ওভারে সুনীল নারিনের ঘূর্ণিতে মাত্র ১ তুলে আউট হন নিকোলাস পুরান ও আইডেন মার্করাম। জেতার জন্য ২ রান তুলতে কোনও অসুবিধা হয়নি নাইটদের। শাহরুখের ফ্র্যাঞ্চাইজির এদিনের নায়ক রিঙ্কু সিংয়ের ব্যাটেই আসে জয়সূচক রান। ব্যাটে একক লড়াইয়ের পাশাপাশি পাঁচটি ক্যাচও ধরেন তিনি। টানা দু’ম্যাচ জিতে কলকাতার পকেটে এখন ৫ পয়েন্ট। নাইটদের পরের ম্যাচ রবিবার। প্রতিপক্ষ হায়দরাবাদ। 

Advertisement

মন্থর পিচে রান তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই রভম্যান পাওয়েলের অসাধারণ ক্যাচে ফেরেন লখনউ ওপেনার মিচেল মার্শ (২)। দ্বিতীয় উইকেটে ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থ (৪২) ও আইডেন মার্করাম (৩১) যোগ করেন ৫৭। ক্যামেরন গ্রিনের বলে মার্করামের ক্যাচ অসামান্য দক্ষতায় রিঙ্কু ধরতেই পালটায় ম্যাচের গতিপথ। এরপর পন্থকে ফেরান সুনীল নারিন। ক্রমশ ছন্দে দেখানো বরুণ চক্রবর্তীর শিকার হন নিকোলাস পুরান (৯)। ইডেনে কলকাতার স্বপ্নভঙ্গ করা মুকুল চৌধুরিও (১) এদিন ব্যর্থ। শেষ ওভারে লখনউয়ের দরকার ছিল ১৭ রান। কার্তিক ত্যাগীর ষষ্ঠ বলে মহম্মদ সামি ছয় মারতেই স্কোর টাই। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে নারিনের দাপটে বাজিমাত কলকাতার।  
তবে দুরন্ত জয়ের মধ্যেও চিন্তায় রাখছে নাইটদের ব্যাটিং। আইপিএলে অন্য দলগুলো যখন পাওয়ার প্লে’র ছয় ওভারে ‘হা রে রে রে’ আগ্রাসনের পতাকা ওড়ায়, নাইটরা তখন শামুকের মতো কুঁকড়ে থাকতেই ভালোবাসে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬.১ ওভারে ৩১ রানে চার উইকেট হারায় কলকাতা। টিম সেইফার্ট (০), ক্যাপ্টেন অজিঙ্কা রাহানে (১০) যথারীতি দ্রুত ফেরেন। অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (৯) আবার ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ নিয়মে আউট হলেন। রান নিতে বেরিয়ে ফেরার সময় তাঁর শরীরে লাগে সামির ছোঁড়া বল। তবে এটাকে আউট দেওয়া দিনে ডাকাতি ছাড়া কিছু নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে বলের রাস্তায় আসেননি তিনি। রভম্যান পাওয়েল (১), ক্যামেরন গ্রিন (৩৪), অনুকূল রায় (০) শিকার হন বাঁ-হাতি পেসার মহসিন খানের (৫-২৩)। 
প্রশ্ন উঠছে, নাইটদের নতুন কোনো ভাবনা দেখা যাচ্ছে না কেন? রাচীন রবীন্দ্রকে দিনের পর দিন বসে থাকছেন ড্রেসিং-রুমে। ফিন অ্যালেন, সেইফার্টরা তো নিয়ম করে ব্যর্থ! সুনীল নারিনকে দিয়ে ওপেন করাতেই বা কীসের এত অনীহা? অধিকাংশ ম্যাচেই তো প্রথম চার উইকেট তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। রামনদীপকে বয়ে চলাই বা কেন? ভাগ্যিস, রিঙ্কু শেষ ওভারে চার ছক্কা মেরেছিলেন দিগ্বেশ রাঠিকে। যা মনে করাল কয়েক বছর আগে যশ দয়ালকে মারা তাঁর পাঁচ ছক্কাকে। ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩, রিঙ্কু রান না করলে নাইটদের (১৫৫-৭) একেবারে ল্যাজে-গোবরে দেখাত। এটাই কোটিপতি লিগে বাঁ-হাতির সর্বাধিক স্কোর।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ