নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুক্রবার রাজ্যজুড়ে শুরু হল দুয়ারে সরকার শিবির। প্রথম দিনেই শিবিরে এলেন ৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫০১ জন পুরুষ ও মহিলা। ২০২১ সালে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। আগে শুধু দুয়ারে সরকার শিবিরেই এর আবেদন করা যেত। সম্প্রতি সারা বছর ধরেই এর আবেদনের ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য। তা সত্ত্বেও নবম দুয়ারে সরকার শিবিরে স্বাস্থ্যসাথী, বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের পাশাপশি এই প্রকল্প সম্পর্কে লক্ষাধিক মহিলা খোঁজখবর নিয়েছেন বলেই প্রশাসন সূত্রে খবর।
Advertisement
শিবিরের প্রথম দিনেই রাজ্যজুড়ে ১৩,৯২২টি ক্যাম্প হয়েছে। সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও। সেই লক্ষ্যে এদিনের মোট ক্যাম্পের প্রায় ৪৬.২৫ শতাংশই ছিল মোবাইল দুয়ারে সরকার ক্যাম্প। এখনও পর্যন্ত এবারের দুয়ারে সরকারে মোট ১ লক্ষ ৬ হাজার ৩৬টি ক্যাম্প হবে বলে ঠিক হয়েছে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই জানা গিয়েছে। এছাড়াও একাধিক ক্যাম্পে স্বাস্থ্য শিবির, পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সহযোগিতা করতে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রচার চালিয়েছেন লোকপ্রসার প্রকল্পের অধীন নথিভুক্ত শিল্পীরা।
প্রথম দিনে সর্বাধিক ১৬০৯টি ক্যাম্প হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। তবে সবথেকে বেশি মানুষ এসেছেন মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই জেলায় ৬৫ হাজার ৯৩৩ জন এদিন ক্যাম্পে এসেছেন। বেশ কিছু জেলায় সার্ভারের সমস্যা হয়। তবে এর জন্য আবেদন গ্রহণের কাজ থেমে থাকেনি। সেই ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করে রেখে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে সার্ভারের সমস্যা মিটে যেতেই সংশ্লিষ্ট পোর্টালে আবেদনকারীদের নাম তুলে দেওয়া হয়। আগামী দিনে যাতে এই সমস্যার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেই সমস্ত আবেদন যাচাই করে যতটা সম্ভব পরিষেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রথম দিনে সর্বাধিক ১৬০৯টি ক্যাম্প হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। তবে সবথেকে বেশি মানুষ এসেছেন মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই জেলায় ৬৫ হাজার ৯৩৩ জন এদিন ক্যাম্পে এসেছেন। বেশ কিছু জেলায় সার্ভারের সমস্যা হয়। তবে এর জন্য আবেদন গ্রহণের কাজ থেমে থাকেনি। সেই ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করে রেখে দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে সার্ভারের সমস্যা মিটে যেতেই সংশ্লিষ্ট পোর্টালে আবেদনকারীদের নাম তুলে দেওয়া হয়। আগামী দিনে যাতে এই সমস্যার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে আবেদন জমা নেওয়ার কাজ। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেই সমস্ত আবেদন যাচাই করে যতটা সম্ভব পরিষেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



