পুজোয় পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে ডিউটি রোস্টার উত্তরবঙ্গ মেডিকেলে
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: পুজোর দিনগুলিতে উৎসবের উচ্ছ্বাসে মাতবে গোটা শহর। কিন্তু, পুজোর আনন্দের মাঝেও সাধারণ মানুষের মনে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। উৎসবের দিনগুলিতে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে মিলবে তো পর্যাপ্ত চিকিৎসা? বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের অভাব নিয়ে অতীতে নানা অভিযোগ ওঠায় এবারও সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিতে পারছেন না অনেকে। যদিও পুজোর দিনগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার আশ্বাস দিয়েছে দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। অতীতে সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত পুজোর ছুটিতে চিকিৎসকের অভাবে অস্বাভাবিক হারে মৃত্যুর ঘটনা এবং পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার উৎসবের দিনগুলিতে হাসপাতালগুলির প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। জরুরি পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় পরিষেবা মিলবে কি না, তা নিয়েই চিন্তায় রয়েছেন অনেকে। 

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে জেলাবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক এবং উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাঃ কৌশিক ঈশোর। ডাঃ প্রামাণিক জানান, পুজোর ছুটিতেও জেলার প্রতিটি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা চালু থাকবে। মহকুমা হাসপাতাল থেকে শুরু করে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতেও চিকিৎসকরা উপস্থিত থাকবেন। বড়ো কোনো দুর্ঘটনা বা বিপর্যয় ঘটলে পরিস্থিতি সামাল দিতে পাহাড় ও সমতলের জন্য চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের দু’টি দল প্রস্তুত রাখা হবে। কোথাও জরুরি পরিস্থিতির খবর পাওয়া মাত্রই প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক দলকে কাজে লাগানো হবে। 
অন্যদিকে, পুজোর দিনগুলিতে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হাউস স্টাফ থেকে শুরু করে সিনিয়র চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিউটি রোস্টার তৈরি করা হয়েছে। সেই রোস্টার স্বাস্থ্যভবনেও পাঠানো হয়েছে। পুজোর ছুটিতে চিকিৎসকের অভাবে যাতে কোনো রোগীকে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যভবনের তরফেও নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন সুপার ডাঃ কৌশিক ঈশোর। যদিও হাউস স্টাফদের একটি বড়ো অংশের অভিযোগ, ১৫ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের একতরফা ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অথচ সিনিয়র ডাক্তারদের অনেকেরই ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে।