শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: উলটোরথের বিকেলে মোহন বাগান তাঁবুতে আলোর মায়াজাল। কয়েকদিন পরেই মোহন বাগান দিবস। তারই প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। বিখ্যাত সবুজ লনে হাতে হাতে ঘুরছে চা, ফিশ ফ্রাই, ঘুগনির প্লেট । মুখরোচক আলোচনায় ককরোচ আন্দোলন, মিছিল নিয়ে চর্চা। ডার্বির মারকাটারি টেনশনের লেশমাত্র নেই। কয়েক’শো মিটার দূরে ইস্ট বেঙ্গলের ছবিও প্রায় একইরকম। কাউন্টারে জনা কুড়ি সদস্য টিকিট তুলতে ব্যস্ত। ব্যাস ওইটুকুই। বাঙালদের চিরকালীন মাইর্যা ফেলুম, কাইট্যা ফেলুম মেজাজ কোথায়?মরশুমের প্রথম ডার্বির আগে ময়দান প্রায় ঝিমিয়ে। এই হাল কেন? কারণ অনুসন্ধানে ফেলু মিত্তির হওয়া নিষ্প্রয়োজন। বিশ্বকাপের রেশ কাটেনি এখনও। প্রায় দেড় মাসের তারকা যুদ্ধ। তার পাঁচ দিনের মধ্যেই ডার্বি। দুই প্রধান এখনও তৈরি নয়। প্রি-সিজন চালু হয়েছে সবে। তারকা বিদেশিরা অধিকাংশই বাইরে। ডুরান্ড আয়োজকরা দিন কয়েক পর ম্যাচটা দিলে জমে যেত। কিন্তু তাঁদের সুপরামর্শ দেবেন কে? টুর্নামেন্টে হাইপ তুলতে মহারণকেই বেছে নিয়েছেন তাঁরা। ১৩৫ তম ডুরান্ডের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী, ক্রীড়ামন্ত্রী ও পদস্থ আর্মি কর্তাদের থাকার কথা। কিন্তু যুবভারতীর গ্যালারি কতটা ভরবে তা নিয়ে সন্দেহ থাকছেই। ইস্ট বেঙ্গল তাঁবুতে ব্যক্তিগত কাজে হাজির প্রাক্তন ফুটবলার ভাস্কর গাঙ্গুলি। গাড়িতে ওঠার আগে প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের আক্ষেপ, ‘কোনো পরিকল্পনা নেই। এভাবে ফুটবল হয় নাকি!’



