Bartaman Logo
৩০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

তেলের মূল্যবৃদ্ধির জের, আমন চাষের জন্য বিঘা প্রতি ট্রাক্টরের খরচা বাড়ল প্রায় ৫০০ টাকা, উদ্বেগ,

এক বছরেই ট্রাক্টর ভাড়া ঘণ্টা প্রতি বাড়ল ৩০০ টাকা। ফলে খরচ বাড়ল আমন চাষিদের। এক বিঘা জমিতে চাষ করতে প্রায় ৫০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে বলে চাষিদের দাবি। ধান চাষ করে এই অতিরিক্ত টাকা তোলা অসম্ভব বলে চাষিরা জানাচ্ছেন।

তেলের মূল্যবৃদ্ধির জের, আমন চাষের জন্য বিঘা প্রতি ট্রাক্টরের খরচা বাড়ল প্রায় ৫০০ টাকা, উদ্বেগ,
  • ৩০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: এক বছরেই ট্রাক্টর ভাড়া ঘণ্টা প্রতি বাড়ল ৩০০ টাকা। ফলে খরচ বাড়ল আমন চাষিদের। এক বিঘা জমিতে চাষ করতে প্রায় ৫০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে বলে চাষিদের দাবি। ধান চাষ করে এই অতিরিক্ত টাকা তোলা অসম্ভব বলে চাষিরা জানাচ্ছেন। তবে ট্রাক্টর চালকদের দাবি জ্বালানি ও যন্ত্রাংশের দর বৃদ্ধির কারণে তাঁদের ভাড়া বৃদ্ধি করতে হয়েছে।

Advertisement

খড়গ্রাম ব্লকের হরিপুর গ্রামের শশাঙ্ক বিত্তার গ্রামের একটি কার্লভাটে বসে বিরবির করে বলছিলেন, মাথার উপর কেউ নাই। যে যা খুশি করে বেড়াচ্ছে। তেলের দাম লিটারে মাত্র ১৩ টাকা বাড়ল। আর ট্রাক্টরের ভাড়া বাড়িয়ে দিল ৩০০ টাকা। এবার কী করে চাষ করব বলুন?
শশাঙ্ক বাবুর মতন এলাকার অনেক চাষির একই বক্তব্য। গতবছর যেখানে ঘণ্টাপ্রতি ট্রাক্টর ভাড়া ছিল ৯০০ টাকা। সেখানে এবছর দিতে হচ্ছে ১২০০ টাকা। ভরতপুরের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামের সুধীর মণ্ডল বলেন, বর্ধিত ভাড়া না দিলে ট্রাক্টর জমিতে নামবে না। ওদের ইউনিয়ন থেকেই তো এসব করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের কথা কেউ ভাবে না।
চাষিদের সূত্রে জানা গিয়েছে, আমন চাষ করার জন্য প্রথমেই জমি কাদা করতে হয়। তাতে তিনবার ট্রাক্টরে করে চাষ দিতে হয়। একবার একবিঘে জমির চাষ দিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে ট্রাক্টরে। সেই হিসেবে গতবছর এক বিঘে জমি কাদা করার জন্য প্রায় ১০০০ থেকে ১২০০ পর্যন্ত খরচ হতো। কিন্তু এবছর সেটা এক ধাক্কায় ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। কান্দি ব্লকের নতুনগ্রাম কৃষি সমবায় সমিতির সভাপতি আশারুল শেখ বলেন, আমরা চাষি ও ট্রাক্টর চালকদের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে বসেছিলাম। কিন্তু ট্রাক্টর চালকরা ভাড়া কমাতে রাজি হননি। কাজেই এই বন্যাপ্রবণ এলাকায় চাষিরা আমন চাষ করে আদৌও খরচ ওঠাতে পারবেন কিনা বুঝতে পারছি না। যদিও কান্দির হিজল এলাকার ট্রাক্টর মালিক হাফিজুদ্দিন শেখ বলেন,শুধু ডিজেলের দর বৃদ্ধি বলে নয়। ট্রাক্টরের প্রতিটি যন্ত্রাংশের দাম বেড়েছে। চালকের মজুরিও বাড়াতে হয়েছে। এমন অবস্থায় ভাড়া বৃদ্ধি করা ছাড়া আমাদের উপায় ছিল না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ