সংবাদদাতা, চাঁচল: এবার আমে মজেছেন মালদহের মানুষ। গতবার আমের দাম সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ছিল। আমের জেলায় আম খেয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু মন ভরে আমের স্বাদ আস্বাদন করতে যা বোঝায়, তা অধরা ছিল। কিন্তু এবার সেই অধরা স্বাদ মন ভরে পূরণ করছেন আম রসিকরা।
সংবাদদাতা, চাঁচল: এবার আমে মজেছেন মালদহের মানুষ। গতবার আমের দাম সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ছিল। আমের জেলায় আম খেয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু মন ভরে আমের স্বাদ আস্বাদন করতে যা বোঝায়, তা অধরা ছিল। কিন্তু এবার সেই অধরা স্বাদ মন ভরে পূরণ করছেন আম রসিকরা।
মালদহ মানেই আমের জেলা। এবার মালদহে প্রচুর পরিমাণে আম উৎপন্ন হয়েছে। ফলন প্রচুর হওয়ায় দামও নাগালের মধ্যে। চাঁচলের খোলা বাজারে সর্বনিম্ন ১৫ টাকা কেজি দরে আম পাওয়া যাচ্ছে বলে ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে যে ল্যাংড়া গতবার ৫০ পেরিয়েছিল তা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪০ টাকাতে বিকোচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ৩০ টাকা কেজিও পাওয়া গিয়েছে এই আম। হিমসাগরও শেষের দিকে, কিন্তু দাম ৪০ পেরোইনি। এছাড়াও ২৫ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বিখ্যাত কুমার খাঁ আম। এই আম হরিশ্চন্দ্রপুর ছাড়া কোথাও উৎপন্ন হয় না। অন্যবার কুমার খাঁয়ের দাম থাকে দ্বিগুণ। এবার আমের ফলন এতটাই হয়েছে যে, সময়ের মধ্যে সেই পাকা আম বিক্রি করতে পরিচিতদের নিয়ে হোয়াটস্যাপ গ্রুপ খুলেছেন কলিগ্রামের ফল ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, বাজারে বসে বিক্রি করলে যাতায়াতের খরচ আছে। অনেক সময় আম বিক্রি না হলে আম ফিরিয়েও আনতে হয়। তাই পরিচিতদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলেছি। প্রতিদিন ৫০ কেজি আম বিক্রি হয়। আমের বাগান মালিক আহাজুল হোসেন বলেন, এবার তেমন ঝড় হয়নি। ফলে ফলন ভালোই হয়েছে। উদ্যান পালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার আবহাওয়া অনুকূল ছিল। তাই ফলন ভালো হয়েছে। ফলন বেশি হওয়ায় দাম কম। প্রতি বছর চাঁচল মহকুমায় ৯৮১৪ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয় প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৫৫৪ মেট্রিকটন। এবার সেই ফলন স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁচল মহকুমা উদ্যানপালন দপ্তরের এক আধিকারিক।