নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: দেউচা-পাচামিতে মহুয়া গাছের পুনর্বাসন সংক্রান্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। খড়্গপুর আইআইটি অনুমোদিত একটি সংস্থা এই কাজের বরাত পেয়েছে। এখন ওয়ার্ক অর্ডারের অপেক্ষা। এরপরই একে একে সব ক’টি মহুয়া গাছই নির্দিষ্ট জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হবে। তার আগে অবশ্য পৃথক দু’টি জায়গার মাটি পরীক্ষার কাজও করা হবে। মাটির নমুনা সংগ্রহ করে টালিগঞ্জের রাজ্য মাটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হবে। সেই কাজের জন্য নির্দিষ্ট দপ্তরে জেলা প্রশাসনের তরফে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে, গাছগুলি সরানোর আগেই এলাকায় জল দিয়ে মাটি নরম করার কাজও চালানো হবে।
Advertisement
জেলা প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, দেউচা-পাচামিতে প্রথম ধাপে যেখানে খনন কাজ শুরু করা হবে সেখানে জমির কিছুটা অংশ সরকারি। বাকি জমির কিছু অংশ আগেই কেনা হয়েছে। এই মূহূর্তে আরও কিছু পরিমাণ জমি কেনার কাজ চলছে। অন্য দিকে, প্রথম ধাপের খনন কাজের জন্য চিহ্নিত ৩৭১ একর এলাকার একাংশে মহুয়ার জঙ্গল রয়েছে। প্রায় ৮২০টি মহুয়া গাছ রয়েছে। সেই সঙ্গে অর্জুন সহ আরও কিছু গাছও রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট গাছে সংখ্যা ৯৮০টি। খনন কাজ শুরুর আগে সেসব গাছ সরানো প্রয়োজন। তাইজেলা প্রশাসন গাছগুলির পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মোতাবেক জাতীয় টেন্ডার ডাকা হয়। তাতে বেশ কয়েকটি সংস্থা অংশ নিয়েছিল। দর কষাকষি শেষে খড়্গপুর আইআইটি অনুমোদিত একটি সংস্থা বরাত পায়।
মহুয়াগাছের পুনর্বাসনের বিষয়ে জেলা প্রশাসন সুচারুভাবে সবটা সম্পন্ন করতে চাইছে। সেক্ষেত্রে, জেলাশাসক বিধান রায়ের তত্ত্বাবধানে একটি উপদেষ্টা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি বনদপ্তরের ডিএফও, হর্টিকালচার দপ্তরের জেলাআধিকারিক ও রয়েছেন। এছাড়াও বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক তথা আন্তর্জাতিক হর্টিকালচার সোসাইটির চেয়ারম্যান এসকে মিত্রকে সেই রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে গাছ স্থানান্তরণ প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞ রামচন্দ্র আপ্পারিও রয়েছেন। তিনি এখনও পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ গাছ স্থানান্তরণের কাজ করেছেন। দু’জনেই বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করবেন। এসকে মিত্র মূলত গাছের পরিচর্যার বিষয়টি দেখবেন। তিনি নিশ্চিত করবেন, গাছ স্থানান্তরণ করার আগে থেকে কী কী বিষয়ে নজর দিতে হবে। রামচন্দ্রবাবু গাছ স্থানান্তরণের প্রক্রিয়ায় নজরদারি চালাবেন। এছাড়াও স্থানান্তরণ শেষে মহুয়াগাছ গুলির বৃদ্ধির বিষয়ে দু’জনেই তদারকি করবেন।
প্রায় ৩৫ বছর পুরনো গাছগুলির সঙ্গে স্থানীয়দের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়াও পরিবেশের স্বার্থেই গাছগুলিকে অন্যত্র সরানোর ভাবনা। গাছ স্থানান্তরণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত সাফল্যের হার প্রায় ৮০ শতাংশ। এছাড়াও বনদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, চাঁদা মৌজায় প্রায় পাঁচগুণ গাছও লাগানো হয়েছে। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখেই প্রস্তাবিত কোল-ব্লক দেউচা-পাচামির কাজ শুরু করতে চাইছি। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই গাছগুলিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। সেক্ষেত্রে আনুসঙ্গিক সমস্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। রাজ্য সহ দেশের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।
মহুয়াগাছের পুনর্বাসনের বিষয়ে জেলা প্রশাসন সুচারুভাবে সবটা সম্পন্ন করতে চাইছে। সেক্ষেত্রে, জেলাশাসক বিধান রায়ের তত্ত্বাবধানে একটি উপদেষ্টা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি বনদপ্তরের ডিএফও, হর্টিকালচার দপ্তরের জেলাআধিকারিক ও রয়েছেন। এছাড়াও বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক তথা আন্তর্জাতিক হর্টিকালচার সোসাইটির চেয়ারম্যান এসকে মিত্রকে সেই রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে গাছ স্থানান্তরণ প্রক্রিয়া বিশেষজ্ঞ রামচন্দ্র আপ্পারিও রয়েছেন। তিনি এখনও পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ গাছ স্থানান্তরণের কাজ করেছেন। দু’জনেই বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করবেন। এসকে মিত্র মূলত গাছের পরিচর্যার বিষয়টি দেখবেন। তিনি নিশ্চিত করবেন, গাছ স্থানান্তরণ করার আগে থেকে কী কী বিষয়ে নজর দিতে হবে। রামচন্দ্রবাবু গাছ স্থানান্তরণের প্রক্রিয়ায় নজরদারি চালাবেন। এছাড়াও স্থানান্তরণ শেষে মহুয়াগাছ গুলির বৃদ্ধির বিষয়ে দু’জনেই তদারকি করবেন।
প্রায় ৩৫ বছর পুরনো গাছগুলির সঙ্গে স্থানীয়দের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। এছাড়াও পরিবেশের স্বার্থেই গাছগুলিকে অন্যত্র সরানোর ভাবনা। গাছ স্থানান্তরণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত সাফল্যের হার প্রায় ৮০ শতাংশ। এছাড়াও বনদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, চাঁদা মৌজায় প্রায় পাঁচগুণ গাছও লাগানো হয়েছে। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখেই প্রস্তাবিত কোল-ব্লক দেউচা-পাচামির কাজ শুরু করতে চাইছি। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই গাছগুলিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। সেক্ষেত্রে আনুসঙ্গিক সমস্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। রাজ্য সহ দেশের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।



