নয়াদিল্লি: প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নেই। মহিলা চিকিৎসক নেই। অন্যান্য সুযোগ সুবিধার অবস্থাও তথৈবচ! অসমের ডিটেনশন শিবিরগুলির পরিকাঠামোগত খামতি নিয়ে সোমবার আরও একবার অসন্তোষ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। অবিলম্বে সমস্ত সুযোগ সুবিধার বন্দোবস্ত করতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। এজন্য এক মাস সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
Advertisement
দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের ট্রাইবুনালের নির্দেশে আটক করে রাখা হয় ডিটেনশন ক্যাম্পগুলিতে। এই ক্যাম্পগুলি পরিদর্শনের জন্য এদিন রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহার বেঞ্চ। সেখানকার সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সংস্থার সঙ্গে আধিকারিকদের বৈঠক করতে বলা হয়েছে।
এদিন মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ওকা বলেন, ‘ডিটেনশন ক্যাম্পগুলির অবস্থা মোটেই সন্তোষজনক নয়। রাজ্যের লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পর্যন্ত নেই। নেই কোনও মহিলা চিকিৎসক। এই সমস্ত সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করুন।’
রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে ডিটেনশন ক্যাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছে অসম লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির সচিবকে। যার ভিত্তিতে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে রিপোর্ট জমা দেবেন তিনি।
অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পগুলির অবস্থা নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এর আগে গোয়ালপাড়া জেলার মাতিয়া ক্যাম্পের অবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল আদালত। গত জুলাইয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন দুই বিচারপতির বেঞ্চ মৌলিক সুযোগসুবিধার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এদিন মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি ওকা বলেন, ‘ডিটেনশন ক্যাম্পগুলির অবস্থা মোটেই সন্তোষজনক নয়। রাজ্যের লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবা পর্যন্ত নেই। নেই কোনও মহিলা চিকিৎসক। এই সমস্ত সুযোগসুবিধা নিশ্চিত করুন।’
রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে ডিটেনশন ক্যাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছে অসম লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির সচিবকে। যার ভিত্তিতে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতে রিপোর্ট জমা দেবেন তিনি।
অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পগুলির অবস্থা নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এর আগে গোয়ালপাড়া জেলার মাতিয়া ক্যাম্পের অবস্থা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল আদালত। গত জুলাইয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন দুই বিচারপতির বেঞ্চ মৌলিক সুযোগসুবিধার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।



