নয়াদিল্লি: মোবাইল সচল রাখতে এখন সময়ে সময়ে রিচার্জ করতে বাধ্য হচ্ছেন গ্রাহকরা। কিন্তু ভয়েস কল বা ডেটার জন্য আলাদা কোনও প্ল্যান নেই। ভয়েস কলের সঙ্গে ডেটাও কিনতে হয়। এজন্য গুণতে হয় বাড়তি টাকা। কিন্তু প্রয়োজন না থাকলেও কেন ডেটা কিনতে হবে? এমন প্রশ্ন শুরু থেকেই উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে টনক নড়ল কর্তৃপক্ষের। এবার আগের মতো ডেটা প্যাক বাদ দিয়ে শুধু ভয়েস কল ও এসএমএসের রিচার্জ প্ল্যান ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। এব্যাপারে টেলিকম সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে ট্রাই। দেশের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই নির্দেশের ফলে আগামীদিনে রিচার্জের ন্যুনতম খরচ কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
বহু গ্রাহক শুধুমাত্র মোবাইলে ইনকামিং চালু রাখতে রিচার্জ করেন। কিন্তু তাঁদেরও ইনকামিং কল চালু রাখতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর রিচার্জের খরচ বহন করতে হয়।এজন্য শুধুমাত্র ভয়েস কল ও এসএমএসের জন্য একটি বিশেষ প্ল্যান চালুর কথাও বলা হয়েছে। এই প্ল্যানের সর্বোচ্চ মেয়াদ হতে পারে ৩৬৫ দিন বা এক বছর।
উল্লেখ্য, দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে টেলিফোনের খরচ। গত জুলাইয়ে এক ধাক্কায় ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়িয়েছিল টেলিকম সংস্থাগুলি। অধিকাংশ প্ল্যানে এক মাসের ন্যূনতম মোবাইল খরচ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ২০০ টাকার আশপাশে। আর প্রতিটি সংস্থা তাদের প্ল্যানগুলিতে ভয়েস কল ও এসএমএসের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে ডেটা। বাধ্য হয়ে শুধুমাত্র সিম কার্ড সচল রাখতে এই প্ল্যানেই রিচার্জ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এখানেই আপত্তি উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। অভিযোগ জমা পড়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ট্রাইয়ের কাছেও। যেখানে বলা হয়, বহু প্রবীণ মানুষ ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। তাছাড়া অনেকের বাড়িতে ব্রডব্যান্ড আছে। তাঁদেরও ইন্টারনেটের প্রয়োজন পড়ে না। তাঁরা কেন মোবাইলে কথা বলতে বা এসএমএসের জন্য ইন্টারনেট ডেটা কিনবেন? প্রশ্ন উঠেছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন পদক্ষেপ।
উল্লেখ্য, দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে টেলিফোনের খরচ। গত জুলাইয়ে এক ধাক্কায় ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়িয়েছিল টেলিকম সংস্থাগুলি। অধিকাংশ প্ল্যানে এক মাসের ন্যূনতম মোবাইল খরচ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ২০০ টাকার আশপাশে। আর প্রতিটি সংস্থা তাদের প্ল্যানগুলিতে ভয়েস কল ও এসএমএসের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে ডেটা। বাধ্য হয়ে শুধুমাত্র সিম কার্ড সচল রাখতে এই প্ল্যানেই রিচার্জ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এখানেই আপত্তি উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। অভিযোগ জমা পড়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ট্রাইয়ের কাছেও। যেখানে বলা হয়, বহু প্রবীণ মানুষ ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। তাছাড়া অনেকের বাড়িতে ব্রডব্যান্ড আছে। তাঁদেরও ইন্টারনেটের প্রয়োজন পড়ে না। তাঁরা কেন মোবাইলে কথা বলতে বা এসএমএসের জন্য ইন্টারনেট ডেটা কিনবেন? প্রশ্ন উঠেছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন পদক্ষেপ।



