ভোপাল: গ্যাস দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ৪০ বছর। অবশেষে সরানো হল ‘বিষ’। বন্ধ হয়ে থাকা ভোপালের ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানার ৩৭৭ টন বিষাক্ত বর্জ্য নিয়ে যাওয়া হল ২৫০ কিলোমিটার দূরে ধর জেলার পিথমপুরে। সেখানে নষ্ট করে ফেলা হবে সেই বর্জ্য। এরফলে দূষণ ছড়ানোর আশঙ্কায় সরব সেখানকার বাসিন্দারা। প্রতিবাদে বন্ধেরও ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের দাবি, বিষাক্ত নয় ওই বর্জ্য। বিজ্ঞানসম্মতভাবে তা পোড়ানো হবে। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করা উচিত হবে না।
Advertisement
ভোপাল থেকে বর্জ্য সরানো একেবারেই সহজ ছিল না। বুধবার রাত ৯টা এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। সিল করা অর্থাৎ আগুন ধরবে না এমন ১২টি কন্টেনারে সেগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গ্রিন করিডর করে কন্টেনারগুলি পিথমপুরে আনে পুলিস। ভোর চারটে সেখানে পৌঁছায় বর্জ্য। যাবতীয় সুরক্ষা নিয়ে মোট ১০০ জন কর্মী বর্জ্য সরানোর কাজে নিযুক্ত ছিলেন। কন্টেনারে বর্জ্য তোলার সময় ২০০ মিটারের মধ্যে মানুষের যাতায়াত বন্ধ ছিল।
ইন্দোর থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে পিথমপুর। সেখানে বর্জ্য নষ্ট করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেছেন বাসিন্দারা। এলাকায় বিষক্রিয়া ছড়াতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা। শুক্রবার পিথমপুর বন্ধের ডাক দিয়েছেন বাসিন্দারা। এব্যাপারে প্রশাসনের আশ্বাস, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। নিরাপদেই সেগুলি নষ্ট করে ফেলা হবে। ১৯৮৪ সালে ২ ডিসেম্বর রাতে ভোপালের ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানা থেকে বিষাক্ত মিথাইল আইসোসায়ানেট গ্যাস লিক করে। মৃত্যু হয়েছিল ৫ হাজার ৪৭৯ জনের। শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েক হাজার বাসিন্দা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রয়ে গিয়েছে সেই দুর্ঘটনার প্রভাব। -ফাইল চিত্র
ইন্দোর থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে পিথমপুর। সেখানে বর্জ্য নষ্ট করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করেছেন বাসিন্দারা। এলাকায় বিষক্রিয়া ছড়াতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা। শুক্রবার পিথমপুর বন্ধের ডাক দিয়েছেন বাসিন্দারা। এব্যাপারে প্রশাসনের আশ্বাস, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। নিরাপদেই সেগুলি নষ্ট করে ফেলা হবে। ১৯৮৪ সালে ২ ডিসেম্বর রাতে ভোপালের ইউনিয়ন কার্বাইড কারখানা থেকে বিষাক্ত মিথাইল আইসোসায়ানেট গ্যাস লিক করে। মৃত্যু হয়েছিল ৫ হাজার ৪৭৯ জনের। শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েক হাজার বাসিন্দা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রয়ে গিয়েছে সেই দুর্ঘটনার প্রভাব। -ফাইল চিত্র



