Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

দূষণ নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বৃষ্টি, অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিল্লির মন্ত্রীর

দূষণ নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম বৃষ্টি, অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিল্লির মন্ত্রীর
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নয়াদিল্লি: ঘড়ি বলছে রাত কেটেছে। সূর্য ওঠার পালা। তবে ভোর হয়ে দোর খুললেও আলোর দেখা নেই। রাজধানীর ভোরও যেন রাতের মতোই। অন্ধকারে নিমজ্জিত। বায়ুদূষণের কবলে দিল্লির অবস্থা এমনই। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বাতাসের গুণমান সূচক (একিউআই) ৪৯৪ পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা এই মরশুমের সর্বোচ্চ। এই আবহে রাজধানীকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে কৃত্রিম বৃষ্টির উপর ভরসা রাখছে আপ সরকার। আর কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে দিল্লির সরকার। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপও দাবি করা হয়েছে। দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাইয়ের দাবি, কেন্দ্রকে এর আগেও অনুরোধ করা হয়েছিল। ৩০ আগস্ট, ১০ ও ২৩ অক্টোবর কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে চিঠি লিখে আপৎকালীন বৈঠকের আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে কোনও সাড়া মেলেনি। তাই এবার প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন গোপাল। উল্লেখ্য, ক্লাউড সিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে মেঘ জমিয়ে বৃষ্টির ব্যবস্থা করলে দিল্লির ধোঁয়াশা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত বছর কানপুর আইআইটি পরীক্ষামূলকভাবে কৃত্রিম বৃষ্টি নামিয়েছে। সেই প্রক্রিয়াই দিল্লির সরকার অবলম্বন করতে চাইছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন কেন্দ্রের ছাড়পত্রের। মঙ্গলবার গোপাল বলেন, ‘দিল্লিতে এখন মেডিক্যাল এমার্জেন্সি চলছে। উত্তর ভারতের আকাশ ঢেকেছে ধোঁয়াশায়। এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হল কৃত্রিম বৃষ্টি।’ তিনি জানিয়েছেন, এই ইস্যুতে পদক্ষেপ করা প্রধানমন্ত্রীর নৈতিক দায়িত্ব। দূষণ রুখতে দিল্লিতে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৪ বা গ্র্যাপ-৪ চালু করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পরিস্থিতি। দিল্লির সমস্ত স্কুলে অনলাইন মাধ্যমে পড়াশোনা চলছে। এমনকী, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলিতেও অনলাইনে পঠনপাঠন হচ্ছে। দৃশ্যমানতা কম থাকায় বহু বিমানের উড়ানে বিলম্ব ঘটছে। ২২টি দূরপাল্লার ট্রেন চলছে দেরিতে। ইতিমধ্যে ন’টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ