সংবাদদাতা, ঘাটাল: প্রায় এক বছর আগেই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের যাবতীয় পরিকাঠামো তৈরির কাজ শেষ। তবুও চালু হচ্ছে না দাসপুর-১ ব্লকের বাসুদেবপুর গ্রামপঞ্চায়েতের অধীন ওই প্রকল্পটি। ফলে গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বাসিন্দারা যেখানে-সেখানেই আবর্জনা ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রকল্পটি চালু হয়নি বলে স্বীকার করেছেন বিডিও দীপঙ্কর বিশ্বাস। তিনি বলেন, এলাকার কিছু মানুষের আপত্তির জন্য ওই প্রকল্পটি চালু করা সম্ভব হয়নি। তবুও কোনওভাবে চালু করা যায় কি না, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে।
Advertisement
আবর্জনা সমস্যা ও পরিবেশ দূষণ রুখতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে জৈব সার তৈরির প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে। সেই উদ্দেশ্যেই ‘সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামে এধরনের প্রকল্প গড়া হয়েছে। মূলত এলাকার বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ীদের ফেলে দেওয়া বিভিন্ন আবর্জনা জৈবসার তৈরির কাজে লাগানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন জঞ্জাল সমস্যা মিটবে, তেমনই পরিবেশ বান্ধব জৈবসার চাষে ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণ কমবে। বিডিও বলেন, প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহার বন্ধ সহ গ্রামীণ এলাকায় আবর্জনা সমস্যা দূর করতে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প গড়ায় জোর দেওয়া হয়েছে।
ওই ব্লকের ১০টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে ২০২৩ সালে সরবেড়িয়া-১ এবং বাসুদেবপুর গ্রামপঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারিভাবে টাকা মঞ্জুর হয়।
দু’টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি করে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাড়ি, জৈব সার তৈরির শেড সহ সমস্ত কিছুই তৈরি হয়ে যায়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে সরবেড়িয়া-১ গ্রামপঞ্চায়েত বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহ করে ওই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রে আবর্জনা পৃথক করে সার তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু বাসুদেবপুরে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটিতে তালা ঝুলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কেন্দ্রটি খাটবাড়ুই স্কুলের পাশে এবং কয়েকটি গৃহস্থ বাড়ির একেবারে সম্মুখে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। ওই কেন্দ্র থেকে দশ ফুট দূরে বাড়ি সন্ন্যাসী জানা, উজ্জ্বল ঘোড়ই, খোকন সামন্তদের। তাঁরা বলেন, ওই কেন্দ্রের মধ্যে সারা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার আবর্জনা যখন জমা পড়বে, তখন বাড়িতে বাস করা দায় হয়ে যাবে। সেজন্যই আমাদের একটু আপত্তি রয়েছে। তাছাড়া কেন্দ্রের পাশেই রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ওই কেন্দ্রের পাশেই রয়েছে কার্তিক জানার দোকান। তিনি বলেন, ওখানে আবর্জনা রাখা শুরু হলেই এলাকায় দূষণ ছড়াবে। সেজন্য অনেকেই চাইছেন না এই জনবসতি এলাকায় প্রকল্পটি চালু হোক।
ওই ব্লকের ১০টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে ২০২৩ সালে সরবেড়িয়া-১ এবং বাসুদেবপুর গ্রামপঞ্চায়েতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারিভাবে টাকা মঞ্জুর হয়।
দু’টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি করে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাড়ি, জৈব সার তৈরির শেড সহ সমস্ত কিছুই তৈরি হয়ে যায়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাস থেকে সরবেড়িয়া-১ গ্রামপঞ্চায়েত বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহ করে ওই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রে আবর্জনা পৃথক করে সার তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু বাসুদেবপুরে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটিতে তালা ঝুলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কেন্দ্রটি খাটবাড়ুই স্কুলের পাশে এবং কয়েকটি গৃহস্থ বাড়ির একেবারে সম্মুখে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। ওই কেন্দ্র থেকে দশ ফুট দূরে বাড়ি সন্ন্যাসী জানা, উজ্জ্বল ঘোড়ই, খোকন সামন্তদের। তাঁরা বলেন, ওই কেন্দ্রের মধ্যে সারা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার আবর্জনা যখন জমা পড়বে, তখন বাড়িতে বাস করা দায় হয়ে যাবে। সেজন্যই আমাদের একটু আপত্তি রয়েছে। তাছাড়া কেন্দ্রের পাশেই রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ওই কেন্দ্রের পাশেই রয়েছে কার্তিক জানার দোকান। তিনি বলেন, ওখানে আবর্জনা রাখা শুরু হলেই এলাকায় দূষণ ছড়াবে। সেজন্য অনেকেই চাইছেন না এই জনবসতি এলাকায় প্রকল্পটি চালু হোক।



