সংবাদদাতা, ঘাটাল: নিজে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের সমীক্ষক হয়ে স্বামীর নাম তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু জানাজানি হতেই প্রথম কিস্তির পাওয়া টাকা ফেরত দিতে হল আশাকর্মী রুমকি চাকিকে। দাসপুর-১ ব্লকের ডিহিচেতুয়া গ্রামে এঘটনা ঘটেছে। বিডিও দীপঙ্কর বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ওই আশাকর্মীর স্বামী বামাপদ চাকির ব্যাঙ্ক আকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার বিকেলে রুমকি চাকি নিজে এসে আমাকে প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা ফেরত দিয়ে গিয়েছেন।বাংলার বাড়ি প্রকল্পের যোগ্য প্রাপকদের নামের তালিকা তৈরির জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন ওই আশাকর্মী। এলাকার বাসিন্দারা জানালেন, রুমকির স্বামীর নিজের পাকা বাড়ি রয়েছে। সেইসঙ্গে তিনি ডেকরেটর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তবুও রুমকি স্বামীর নাম প্রকল্পের তালিকায় ঢুকিয়ে দেন। বামাপদবাবুর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার খবর জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায়। পাঁচদিন আগে বিডিও বিষয়টি জানতে পেয়ে প্রতিনিধিদের তদন্তে পাঠান। বিডিও জানান, তদন্তে দেখা যায়, সত্যিই ওই ব্যক্তির নামে পাকা বাড়ি রয়েছে। তখনই তাঁকে নোটিস পাঠানোর পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়। রুমকির সাফাই, তিনি সমীক্ষক দলের সঙ্গে থাকলেও তাঁদের মাটির বাড়িটিও দেখিয়েছিলেন। সেইমতোই তিনি নিজের স্বামীর নাম তালিকায় তুলতে সুপারিশ করেছিলেন।



