নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৩ কোটি ২৩ লক্ষ নতুন ফ্ল্যাটবাড়ির প্রয়োজন হবে। তার সিংহভাগ চাহিদাই যে শহরাঞ্চলে হবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই রিপোর্ট সামনে এনেছে আবাসন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা সংস্থা। তাদের বক্তব্য, মোট ফ্ল্যাটের চাহিদার সিংহভাগ দখলে রাখবে আয়ত্তের মধ্যে আবাসন। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা হবে অর্থনৈতিকভাবে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য।
Advertisement
রিপোর্ট বলছে, শুধুমাত্র শহরাঞ্চলেই আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্ল্যাটের চাহিদা দাঁড়াবে ২ কোটি ২২ লক্ষ। এর মূল কারণ দ্রুত নগরায়ণ এবং মানুষের রোজগার বৃদ্ধি। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি আবাসন হবে আয়ত্তের মধ্যে বাড়ি বা অ্যাফর্ডেবল হাউজিং-এর আওতায়। প্রসঙ্গত, আয়ত্তের মধ্যে বাড়ি কাকে বলা হবে, তার সংজ্ঞা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। এর তিনটি ভাগ। যেখানে ক্রেতার বার্ষিক আয় বছরে তিন লক্ষ টাকা বা তার কম, তিনি যদি ৩০ বর্গমিটার বা তার চেয়ে ছোট কার্পেট এরিয়ার ফ্ল্যাট কেনেন, তাহলে তা এই সংজ্ঞার আওতায় পড়বে। এক্ষেত্রে ক্রেতাকে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ব্যক্তি হিসেবে ধরা হবে। যেক্ষেত্রে আয় বার্ষিক ৬ লক্ষ টাকা হবে এবং কার্পেট এরিয়া ৬০ বর্গমিটার হবে, তা নিম্ন-আয় (এলআইজি)বিভাগ হিসেবে গ্রাহ্য হবে। আয় ৯ লক্ষ টাকা এবং কার্পেট এরিয়া ১৬০ বর্গমিটার হলে, সেটি মধ্য-আয় (এমআইজি) বিভাগ হিসেবে গ্রাহ্য হবে। আয়ত্তের মধ্যে বাড়ি হলে, গৃহ ঋণের সুদ সহ বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা পান ক্রেতা।
শহরাঞ্চলে যে আবাসনগুলি তৈরি হবে, তার প্রায় ৪৬ শতাংশ রাখা হবে অর্থনৈতিক দিক থেকে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া ক্রেতাদের জন্য। এখনই বাজারে এই ধরনের আবাসনের ঘাটতি রয়েছে এক কোটির উপর, বলছে রিপোর্ট। শহর ও গ্রাম মিলিয়ে আবাসনের যে বাজার আগামী দিনে সামনে আসতে চলেছে, তার সামগ্রিক বাজার ৬৭ লক্ষ কোটি টাকার, বলা হয়েছে রিপোর্টে।
আয়ত্তের মধ্যে ফ্ল্যাটই যেখানে ভবিষ্যৎ, সেখানে গৃহ ঋণের বাজারও যে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। রিপোর্টটি বলছে, বর্তমানে দেশে গৃহ ঋণের বাজার ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সিংহভাগ বাজার ধরে রেখেছে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক নয় এমন হাউজিং ফিনান্স সংস্থাগুলি। তাদের হাতে রয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা। অন্যদিকে ব্যাঙ্কগুলির গৃহ ঋণের ব্যবসার অঙ্ক ৬ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার।
শহরাঞ্চলে যে আবাসনগুলি তৈরি হবে, তার প্রায় ৪৬ শতাংশ রাখা হবে অর্থনৈতিক দিক থেকে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া ক্রেতাদের জন্য। এখনই বাজারে এই ধরনের আবাসনের ঘাটতি রয়েছে এক কোটির উপর, বলছে রিপোর্ট। শহর ও গ্রাম মিলিয়ে আবাসনের যে বাজার আগামী দিনে সামনে আসতে চলেছে, তার সামগ্রিক বাজার ৬৭ লক্ষ কোটি টাকার, বলা হয়েছে রিপোর্টে।
আয়ত্তের মধ্যে ফ্ল্যাটই যেখানে ভবিষ্যৎ, সেখানে গৃহ ঋণের বাজারও যে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। রিপোর্টটি বলছে, বর্তমানে দেশে গৃহ ঋণের বাজার ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সিংহভাগ বাজার ধরে রেখেছে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক নয় এমন হাউজিং ফিনান্স সংস্থাগুলি। তাদের হাতে রয়েছে প্রায় ৬ লক্ষ ৯০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা। অন্যদিকে ব্যাঙ্কগুলির গৃহ ঋণের ব্যবসার অঙ্ক ৬ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার।



