নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গুজরাতের সিরিয়াল কিলার খুন করছে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ায়। আবার জেল খাটা বিহারের কুখ্যাত অস্ত্র কারবারি বমাল পাকড়াও হচ্ছে খাস কলকাতার শিয়ালদহ চত্বরের ভরা বাজারে। অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে দেশ, রাজ্য, জেলার ভাগাভাগি ঘুচেছে।
Advertisement
তদন্তের সুবিধার্থে প্রযুক্তিগত উন্নতি প্রয়োজন। তাই দেশজুড়ে ইউনিফায়েড পুলিস পোর্টাল শুরু করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নাম ক্রাইম অ্যান্ড ক্রিমিনাল ট্র্যাকিং নেটওয়ার্ক সিস্টেম বা সিসিটিএনএস। সেখানে ১০ লক্ষ অভিযুক্ত ও অপরাধীর মুখের ছবি রয়েছে। এবার সেই ছবির সঙ্গে অপরাধী ও দাগি আসামিদের ১০ আঙুলের ছাপও ডেটাবেসে সংরক্ষণ করতে উদ্যোগী মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের পুলিসের কাছে স্থানীয় অপরাধীদের ফিঙ্গারপ্রিন্টের ডেটাবেসে সিসিটিএনএসের পোর্টালে আপলোডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে এই কাজ সমস্ত রাজ্যকে শেষ করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৩ সাল থেকে সিসিটিএনএস পোর্টালে তথ্য আপলোডের কাজ শুরু হয়েছে। এই মর্মে গতবছর কলকাতা ও রাজ্য পুলিসের সমস্ত থানায় চলেছে বিশেষ মহড়া। সেখানে কীভাবে জেনারেল ডায়েরি (জিডি), ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর), পুরনো ধৃত অপরাধীদের ছবি, নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য আপলোড করতে হবে তা নিয়ে একটি কর্মশালা হয়। যদিও এরপরে কাজ করতে গিয়ে বেশকিছু ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলার পুলিস। ভিন রাজ্যের কোনও অপরাধী কোনও ক্রাইমে যুক্ত হলেই তাকে ধরতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিসকে। কারণ অপরাধের পর ভিন রাজ্যে পালিয়ে গিয়ে নিজেদের হুলিয়া বদলে ফেলছে অপরাধী ও অভিযুক্তরা। কোনও ক্ষেত্রে সরকারি নথি বদলে যাচ্ছে। আবার কোনও ক্ষেত্রে দাড়ি, গোঁফের সাহায্য নিয়ে (বাড়িয়ে বা সম্পূর্ণ কেটে ফেলে) ‘অদৃশ্য’ হয়ে যাচ্ছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে চিহ্নিত হওয়া অপরাধী।
জলজ্যান্ত প্রমাণ খাস কলকাতায় ভবানীপুরের জোড়া খুন। ২০২২ সালের ৬ জুন ভরসন্ধ্যায় বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ী দম্পতিকে খুন করে দীপেশ শাহসহ কয়েকজন। সেই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। কিন্তু, প্রায় আড়াই বছর কেটে গেলেও মূল অভিযুক্ত দীপেশ এখনও ফেরার। সূত্রের খবর, গুজরাতে পালিয়ে গিয়েছে সে। সেখানে পুলিসের টিম গেলেও খোঁজ পাওয়া যায়নি অভিযুক্তের। জানা গিয়েছিল, হুলিয়া বদলে ফেলেছে সে। পরবর্তীতে ভারতের কোথাও দীপেশ কোনও অপরাধ ঘটালেও কলকাতা পুলিসের কাছে সেই তথ্য পাওয়া দুষ্কর।
কারণ কলকাতায় খুনের ঘটনাস্থল থেকেই দীপেশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া গেলেও, গুজরাত কিংবা দেশের অন্য রাজ্য পুলিসের কাছে সেই আঙুলের ছাপ নেই।
এই সমস্যা মেটাতেই উদ্যোগ নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দেশজুড়ে যে কোনও থানায় যে অভিযুক্ত বা অপরাধীরা (খুন, খুনের চেষ্টা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, ডাকাতি, লুট) গ্রেপ্তার হবে, তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি আপলোড করতে হবে পোর্টালে, যাতে দেশজুড়ে পরবর্তীকালে কোনও অপরাধ করলেই অভিযুক্তের ছবি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে নিমেষে তার রেকর্ড চিহ্নিত করতে পারেন তদন্তকারীরা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো সূত্রের খবর, শুধু বাংলা নয়, দেশের সব রাজ্যেই এই প্রশিক্ষণ চলেছে। দেশজুড়ে অপরাধ ও অপরাধীদের ৭৪ শতাংশ তথ্য ইতিমধ্যেই এই পোর্টালে আপলোড করা হয়ে গিয়েছে। কার্যকারিতার দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিহার ও রাজস্থান।
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৩ সাল থেকে সিসিটিএনএস পোর্টালে তথ্য আপলোডের কাজ শুরু হয়েছে। এই মর্মে গতবছর কলকাতা ও রাজ্য পুলিসের সমস্ত থানায় চলেছে বিশেষ মহড়া। সেখানে কীভাবে জেনারেল ডায়েরি (জিডি), ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর), পুরনো ধৃত অপরাধীদের ছবি, নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য আপলোড করতে হবে তা নিয়ে একটি কর্মশালা হয়। যদিও এরপরে কাজ করতে গিয়ে বেশকিছু ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলার পুলিস। ভিন রাজ্যের কোনও অপরাধী কোনও ক্রাইমে যুক্ত হলেই তাকে ধরতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিসকে। কারণ অপরাধের পর ভিন রাজ্যে পালিয়ে গিয়ে নিজেদের হুলিয়া বদলে ফেলছে অপরাধী ও অভিযুক্তরা। কোনও ক্ষেত্রে সরকারি নথি বদলে যাচ্ছে। আবার কোনও ক্ষেত্রে দাড়ি, গোঁফের সাহায্য নিয়ে (বাড়িয়ে বা সম্পূর্ণ কেটে ফেলে) ‘অদৃশ্য’ হয়ে যাচ্ছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে চিহ্নিত হওয়া অপরাধী।
জলজ্যান্ত প্রমাণ খাস কলকাতায় ভবানীপুরের জোড়া খুন। ২০২২ সালের ৬ জুন ভরসন্ধ্যায় বাড়িতে ঢুকে ব্যবসায়ী দম্পতিকে খুন করে দীপেশ শাহসহ কয়েকজন। সেই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। কিন্তু, প্রায় আড়াই বছর কেটে গেলেও মূল অভিযুক্ত দীপেশ এখনও ফেরার। সূত্রের খবর, গুজরাতে পালিয়ে গিয়েছে সে। সেখানে পুলিসের টিম গেলেও খোঁজ পাওয়া যায়নি অভিযুক্তের। জানা গিয়েছিল, হুলিয়া বদলে ফেলেছে সে। পরবর্তীতে ভারতের কোথাও দীপেশ কোনও অপরাধ ঘটালেও কলকাতা পুলিসের কাছে সেই তথ্য পাওয়া দুষ্কর।
কারণ কলকাতায় খুনের ঘটনাস্থল থেকেই দীপেশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া গেলেও, গুজরাত কিংবা দেশের অন্য রাজ্য পুলিসের কাছে সেই আঙুলের ছাপ নেই।
এই সমস্যা মেটাতেই উদ্যোগ নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দেশজুড়ে যে কোনও থানায় যে অভিযুক্ত বা অপরাধীরা (খুন, খুনের চেষ্টা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, ডাকাতি, লুট) গ্রেপ্তার হবে, তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি আপলোড করতে হবে পোর্টালে, যাতে দেশজুড়ে পরবর্তীকালে কোনও অপরাধ করলেই অভিযুক্তের ছবি বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে নিমেষে তার রেকর্ড চিহ্নিত করতে পারেন তদন্তকারীরা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো সূত্রের খবর, শুধু বাংলা নয়, দেশের সব রাজ্যেই এই প্রশিক্ষণ চলেছে। দেশজুড়ে অপরাধ ও অপরাধীদের ৭৪ শতাংশ তথ্য ইতিমধ্যেই এই পোর্টালে আপলোড করা হয়ে গিয়েছে। কার্যকারিতার দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিহার ও রাজস্থান।



