সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: জেল ফেরত মাদক কারবারি পুনরায় মাদক পাচার করতে এসে পুলিশের জালে ধরা পড়ল। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-নেপাল সীমান্ত পানিট্যাঙ্কিতে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম হামজা শেখ। সে মালদহের বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা।
সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: জেল ফেরত মাদক কারবারি পুনরায় মাদক পাচার করতে এসে পুলিশের জালে ধরা পড়ল। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-নেপাল সীমান্ত পানিট্যাঙ্কিতে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম হামজা শেখ। সে মালদহের বৈষ্ণবনগরের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সূত্র মারফত খবর পেয়ে এলাকায় সাদা পোশাকে ওত পেতে থাকে পানিট্যাঙ্কি ফাঁড়ির পুলিশ। এরপর লোকাল বাস থেকে নেমে সন্দেহজনক ওই মাদক কারবারি খাবারের হোটেলে ঢুকতেই অভিযুক্তকে ঘিরে ফেলে তারা। এদিকে পুলিশের অভিযান বুঝতে পেরে ধৃত পালানোর চেষ্টা করলেও পুলিশ তাকে ধরে ফেলে। পরে তার হেফাজত থেকে প্রায় ২৯৪ গ্রাম ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জেনেছে, মালদহ থেকে তা পানিট্যাঙ্কিতে পাচারের উদ্দেশ্য ছিল। মাদক কার কাছে দিত তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
খড়িবাড়ি থানার ওসি অভিজিৎ বিশ্বাস বলেন, ধৃতকে সোমবার শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পাঠানো হবে। আমরা তাকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করব।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৯ নভেম্বর পানিট্যাঙ্কি সংলগ্ন গগারুজোতে খড়িবাড়ি থানার পুলিশের অভিযানে প্রায় ১৩২ গ্রাম ব্রাউন সুগার সহ হামজা শেখ গ্রেপ্তার হয়েছিল। সম্প্রতি জেল থেকে ফিরে পুনরায় সে এই কারবারে যুক্ত হয়। যা নিয়ে উদ্বেগে পুলিশ। যদিও এলাকার জেল ফেরত মাদক কারবারিদের নজরে রেখেছে জেলা পুলিশ।
উল্লেখ্য, ভারত-নেপাল সীমান্ত পানিট্যাঙ্কি মাদকের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে। যা দমন করতে পুলিস একাধিক পদক্ষেপ নিলেও তাতে কোনও কাজ হচ্ছে না। পানিট্যাঙ্কিতে জেলা পুলিসের এসওজি গঠন করা হয়েছিল। তবে ওই দলের আধিকারিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগের জেরে তাদের রদবদল করা হয়। যদিও পুলিশের দাবি, তাদের ধারাবাহিক অভিযানেই এই সাফল্য। নিজস্ব চিত্র।