বারুইপুরে শহর ও গ্রামের রাস্তায় নেশাখোরদের দাপট
  • ৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে এসে পুলিশকে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে অভিযান চালাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু বারুইপুরে উল্টো চিত্র। শহর থেকে গ্রামের রাস্তা, গলিতে নেশাখোরদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যার পর থেকে মদ্যপ ও গাঁজাখোরদের দাপাদাপি। এর জেরে ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। যদিও বারুইপুর পুলিশ জেলার এক আধিকারিক বলেন, নজরদারি চলছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, ধরাও হবে দুষ্কৃতীদের। বারুইপুরের পুরাতন বাজারে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ভিড় হয় যথেষ্ট। সেই বাজারের ভিতরে রয়েছে মদের দোকান। অভিযোগ, সেখান থেকে মদ কিনে প্রকাশ্যে খাওয়া হচ্ছে। একই অবস্থা শহরের ভিতরেও। শাসন স্টেশন সংলগ্ন এলাকা ও বারুইপুরের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন অটো স্ট্যান্ডের পিছনে, দক্ষিণ দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জুয়ার কারবার থেকে গাঁজা বিক্রি সবই চলছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, পদ্মপুকুর থেকে শাসন বাইপাসে রাতে অন্ধকার থাকে। এর সুযোগ নিয়ে ফাঁকা জায়গায় চলছে মদ্যপান। আবার মদারাট ও রামনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের অধীন আটঘড়া ঘোষ মেডিকেল ওষুধ দোকান থেকে শুরু করে বলবন যাওয়ার রাস্তায় সন্ধ্যার পরেই চলে মদ্যপান, গাঁজা সেবন—এমনই অভিযোগ বাসিন্দাদের। এই রাস্তায় ল্যাম্পপোস্ট থাকলেও আলো জ্বলে না। তারই সুযোগে চলছে এইসব। স্কুল পড়ুয়াদের টিউশন সেরে বাড়ি ফিরতে সমস্যায় পড়তে হয়। অভিযোগ, একই অবস্থা আটঘড়া থেকে বেগমপুরে যাওয়ার গ্রামের ভিতরের রাস্তায়। নাজিরপুর, মধুবনপুর গ্রামে যাওয়ার পথেও রাতে দেখা যায় এই চিত্র। কাটাখাল বাজার এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাজারের আগে সরু গলির ভিতরে গেলেই চোখে পড়বে গাঁজাখোরদের আসর। বারংবার বারণ করা হলেও কাজ হয়নি। উত্তরভাগ থেকে কাটাখাল যাওয়ার বাইপাস রাস্তা থেকে শুরু করে শংকরপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের রাজগড়া শ্মশান এলাকায় গাঁজাখোর আর মদ্যপদের দাপটে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। পেটুয়া শিবমন্দিরের কাছেও বসছে নেশার আসর। ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা বলেন, পুলিশের নজরদারি কমেছে। টহলদারি ভ্যান নামে একবার দেখা যায়। পুলিশকে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।

Advertisement