নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাইমারি স্কুল। তাই সাতসকালে ছেলে বা মেয়েকে বাইক বা স্কুটারে চাপিয়ে খালি মাথাতেই স্কুলে পৌঁছে দিতেন অভিভাবকরা। কসবায় এক নামী বেসরকারি স্কুলের সামনে বাইকচালকদের এই অভ্যাসের কথা কানে পৌঁছয় কলকাতা পুলিসের। এরপর একটানা দু’মাস ধরে প্রচার চালানোয় মিলল সুফল। প্রতি ১০০ জন অভিভাবকের মধ্যে প্রায় ৯৮ জনই এখন মাথায় হেলমেট চাপিয়ে খুদে পড়ুয়াদের স্কুলে ছাড়তে আসেন। চলতি সপ্তাহ থেকে ওই স্কুলের আপার-প্রাইমারি বিভাগের ক্ষেত্রেও একই প্রচার শুরু করছে কসবা ট্রাফিক গার্ড।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, দু’মাস আগে মাত্র ১০ শতাংশ অভিভাবক হেলমেট পরে আসতেন। এরপর কসবা রোড, রুবি পার্ক রোড ও রাজডাঙা রোডে কড়া পুলিসি প্রহরা বসায় কসবা ট্রাফিক গার্ড। তিনজন অফিসার সহ প্রচুর ট্রাফিক পুলিস লাগাতার তাঁদের সচেতন করার চেষ্টা চালান। স্কুল কর্তৃপক্ষেরও সাহায্য নেয় ট্রাফিক গার্ড। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করে পথ নিরাপত্তার পাঠ দেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পুলিস জানিয়েছে, প্রথমেই জরিমানা বা আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পথে হাঁটা হয়নি। অভিভাবকদের বোঝানো হয়। কাউকে দু’বার, কাউকে আবার তিন-চারবার বোঝানো হয়েছে। সাবধানবাণীও দেওয়া হয়। হেলমেট না পরলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, সেই বার্তাও দেন উর্দিধারীরা।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর এক বাইকচালককে পাকড়াও করেন সার্জেন্টরা। দেখা যায়, হেলমেট না পরে স্কুটারে করে তিনি ছেলেকে স্কুলে ছাড়তে এসেছেন। সেদিনই সাবধান করা হয় ওই যুবককে। মঙ্গলবার সেই স্কুটারটিকে ফের ‘স্পট’ করেন এক পুলিসকর্মী। একই জ্যাকেট পরে থাকায় তাঁকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। দেখা যায়, ওই যুবক পুলিসের ‘সাবধানবাণী’তে সাড়া দিয়ে হেলমেট পরেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি খুদে সন্তানকেও হেলমেট পরিয়েছেন। ওই স্কুটারচালকের কথায়, ‘জীবনের দাম অনেক বেশি। তাই সবাই হেলমেট পরুন। পাড়ার মধ্যে বের হলেও হেলমেট মাস্ট।’ -নিজস্ব চিত্র
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর এক বাইকচালককে পাকড়াও করেন সার্জেন্টরা। দেখা যায়, হেলমেট না পরে স্কুটারে করে তিনি ছেলেকে স্কুলে ছাড়তে এসেছেন। সেদিনই সাবধান করা হয় ওই যুবককে। মঙ্গলবার সেই স্কুটারটিকে ফের ‘স্পট’ করেন এক পুলিসকর্মী। একই জ্যাকেট পরে থাকায় তাঁকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। দেখা যায়, ওই যুবক পুলিসের ‘সাবধানবাণী’তে সাড়া দিয়ে হেলমেট পরেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি খুদে সন্তানকেও হেলমেট পরিয়েছেন। ওই স্কুটারচালকের কথায়, ‘জীবনের দাম অনেক বেশি। তাই সবাই হেলমেট পরুন। পাড়ার মধ্যে বের হলেও হেলমেট মাস্ট।’ -নিজস্ব চিত্র



