নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ক্যানিংয়ে আত্মীয়ের বাড়ি এসেই গ্রেপ্তার হয়েছে কাশ্মীরি জঙ্গি জাভেদ মুন্সি। তবে এই প্রথম নয়, বছর দুয়েক আগেও সে ক্যানিংয়ে এসে তার শ্যালক তথা শাল বিক্রেতা গুলাম মহম্মদের ভাড়া বাড়িতে ১০ দিন থেকে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। বারে বারে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কেন তার আনাগোনা, এই নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। আগে সে ক্যানিংয়ে কেন এসেছিল, তার সন্ধানে তদন্তে নেমেছে পুলিস। এক শীর্ষ অফিসারের কথায়, স্থানীয়ভাবে ওই জঙ্গির কিছু কার্যকলাপ ছিল কি না বা এক্ষেত্রে ওই শাল বিক্রেতার কোনও ভূমিকা আছে কি না, সবটাই তদন্ত করে দেখা হবে। আগেরবার এসে কোথায় কোথায় সে গিয়েছিল, কাদের সঙ্গে দেখা করেছে, সেসবের খোঁজখবর শুরু হয়েছে।
Advertisement
গুলাম মহম্মদ সুন্দরবনের এই অঞ্চলে বিগত কয়েক দশক ধরে শীতকালে শাল ও অন্যান্য শীতের বস্ত্র ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন। ক্যানিংয়ের লোকজনের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ। প্রতি বছর চার-পাঁচ মাস এখানে থেকে ব্যবসা করে আবার কাশ্মীরে ফিরে যান। তাঁর বাড়িতেই এক জঙ্গি আশ্রয় নেওয়ায় চমকে উঠেছেন স্থানীয় মানুষজন। তবে এবার কী কারণে শ্যালকের বাড়িতে এসেছিল জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। গুলাম বলেন, ১৯ তারিখ সকালে আমায় ও ফোন করে বলে, তোমার ওখানে ঘুরতে আসছি। দু’বছর আগেও এই কথা বলে এখানে এসে ১০ দিন থেকে গিয়েছিল। তাঁর জামাইবাবু জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত, তা কি তিনি জানতেন না? গুলামের দাবি, তিনি কিছুই জানেন না। জাভেদ শ্রীনগরে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে বলে আমরা জানি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’দিন আগে দিল্লি থেকে বিমানে করে কলকাতায় আসে জাভেদ। সেখান থেকে গাড়ি করে ক্যানিংয়ে হসপিটাল মোড়ের কাছে ঢালিপাড়ায় তার এই শ্যালকের বাড়িতে ওঠে। বিকেলে মসজিদে নামাজ পড়ে বাজারে বেরিয়ে ঘুরতেই পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার মাঝরাতে গুলামের বাড়িতে তদন্তকারীদের একটি দল গিয়ে ধৃতের জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, গুলাম সাহেবকে বহুদিন ধরেই ক্যানিংয়ে ঘুরে ঘুরে শীতের বস্ত্র বিক্রি করতে দেখেছি। তাঁর বাড়িতেই একজন জঙ্গি এসেছিল! গুলাম যে বাড়ি ভাড়া থাকেন, সেই বাড়ির কর্ত্রী বলেন, আমাদের দু’দিন আগে উনি জানিয়েছিলেন, তাঁর এক আত্মীয় আসছে। আমরা বিষয়টিতে তেমন গুরুত্ব দিইনি। এখন যা শুনছি তাতে ভয় লাগছে। খবর চাউর হতেই পাড়ার লোকজন ভিড় করেন ওই বাড়ির সামনে। আগামী দিনে পুলিস প্রশাসন যাতে এইসব বিষয়ে আরও সতর্ক থাকে, তাই নিয়ে আবেদন করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’দিন আগে দিল্লি থেকে বিমানে করে কলকাতায় আসে জাভেদ। সেখান থেকে গাড়ি করে ক্যানিংয়ে হসপিটাল মোড়ের কাছে ঢালিপাড়ায় তার এই শ্যালকের বাড়িতে ওঠে। বিকেলে মসজিদে নামাজ পড়ে বাজারে বেরিয়ে ঘুরতেই পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার মাঝরাতে গুলামের বাড়িতে তদন্তকারীদের একটি দল গিয়ে ধৃতের জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, গুলাম সাহেবকে বহুদিন ধরেই ক্যানিংয়ে ঘুরে ঘুরে শীতের বস্ত্র বিক্রি করতে দেখেছি। তাঁর বাড়িতেই একজন জঙ্গি এসেছিল! গুলাম যে বাড়ি ভাড়া থাকেন, সেই বাড়ির কর্ত্রী বলেন, আমাদের দু’দিন আগে উনি জানিয়েছিলেন, তাঁর এক আত্মীয় আসছে। আমরা বিষয়টিতে তেমন গুরুত্ব দিইনি। এখন যা শুনছি তাতে ভয় লাগছে। খবর চাউর হতেই পাড়ার লোকজন ভিড় করেন ওই বাড়ির সামনে। আগামী দিনে পুলিস প্রশাসন যাতে এইসব বিষয়ে আরও সতর্ক থাকে, তাই নিয়ে আবেদন করেছেন স্থানীয়রা।



