ঢাকা: দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বেকসুর খালাসের নির্দেশ বহাল রাখল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীাতি মামলায় ২০১৮ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদাকে দোষী সাব্যস্ত করে ঢাকার আদালত। তাঁকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর খালেদার ঠিকানা হয় ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর জেল থেকে মুক্তি পান তিনি। এরপর দুর্নীতি মামলা খারিজ করার জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা সহ আরও দুজন। তাঁদের সেই আবেদন মেনে নিম্ন আদালতের নির্দেশ সম্প্রতি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় বাংলাদেশ সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশন। হাইকোর্টের নির্দেশ সোমবার বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিনের নির্দেশের ফলে দুটি দুর্নীতি মামলাতেই খালাস পেলেন খালেদা।
Advertisement
অন্যদিকে, রবিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। সেখানে তিনি হাসিনা আমলে যে ‘নৃশংস’ অত্যাচার চলেছে, তার প্রমাণ সংরক্ষণের উপর জোর দেন। অত্যাচারিতদের বিচার দিতেই এই প্রমাণ সংরক্ষণ জরুরি বলে সওয়াল করেন তিনি। যদিও এই প্রমাণ সংগ্রহ খুব কঠিন বলেও দাবি করেছেন ইউনুস। ওই বৈঠকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের রেসিডেন্ট কোঅর্ডিনেটর জেন লিউইস ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ হুমা খান উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা এই বিষয়ে বাংলাদেশকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।



