সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতেই ডার্মাটোলজি আউটডোর সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরিকেও সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। ওই ব্লকে সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা চালু না করার পরিকল্পনা সফল করতেই এই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
Advertisement
সুপার স্পেশালিটি ব্লকে ইন্ডোর পরিষেবা চালু করার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপর জেলা প্রশাসনের চাপ রয়েছে। গত নভেম্বরে দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক সুপার স্পেশালিটি ব্লকে দ্রুত ইন্ডোর পরিষেবা চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারপর নানা বাহানায় পরিষেবা চালু হয়নি। কিন্তু প্রশাসনিক চাপ কাটিয়ে ওঠার জন্য এবার সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সাধারণ বিভাগ সরিয়ে ইন্ডোর পরিষেবা চালু করার দিকটি কর্তৃপক্ষ দেখাতে চাইছে বলে অভিযোগ।
হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, নেফ্রো, নিউরো, কার্ডিওলজির মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতায় অত্যাধুনিক ঝা চকচকে এই বহুতল ভবন তৈরি হয়। কিন্তু, তারপরও দীর্ঘদিন এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক ফেলে রাখা হয়েছিল। বিতর্ক এড়াতে বেশ কিছুদিন পর ছ’টি বিভাগের আউটডোর পরিষেবা চালু হয়। কিন্তু আজও ইন্ডোর পরিষেবা চালু হয়নি।
হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হয়নি, অথচ অনেকদিন আগেই একটি এজেন্সির মাধ্যমে অস্থায়ী সাফাই ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। পরিকল্পনামতো সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই নানা অজুহাত খাড়া করা হচ্ছে। আসলে পরিকল্পনা মতো সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে অনেক নার্সিংহোমের ব্যবসা ধাক্কা খাবে। কিছু নার্সিংহোমের স্বার্থ রক্ষার জন্যই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনামতো সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার ক্ষেত্রে নানা অজুহাতে প্রতিবন্ধকতা করে চলেছেন।
এক চিকিৎসক বলেন, প্রশাসনিক চাপ আসায় এখন কিছু সাধারণ বিভাগ এখানে সরিয়ে এনে ইন্ডোর পরিষেবা চালুর উদ্যোগ চলছে। কিন্তু, এতে সুপার স্পেশালিটি ব্লকের মূল ভাবনা কার্যকর হবে না।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জানুয়ারির শুরুতেই আমরা ডার্মাটোলজি আউটডোর সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছি। প্রশাসনের নির্দেশমতো ইন্ডোর পরিষেবা চালুর জন্য আমাদের প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি এবং আইসিসিইউ সহ কার্ডিওলজি বিভাগ সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কার্ডিওলজি বিভাগ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও আজও ক্যাথল্যাব না আসায় ব্যয়বহুল পূর্ণাঙ্গ কার্ডিওলজি চিকিৎসা পরিষেবা বিনা মূল্যে পাচ্ছে না গরীব মানুষ।
অথচ সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরির সময় পূর্ণাঙ্গ কার্ডিওলজি ইউনিট তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেইমতো ক্যাথ ল্যাবের জন্য টেন্ডারও হয়। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ক্যাথলাব আসেনি। সুপার স্পেশালিটি ব্লকের জন্য একজন কার্ডিওথোরাসিক ভাস্কুলার সার্জেন এখানে দেওয়া হয়েচিল। পূর্ণাঙ্গ কার্ডিওলজি বিভাগ না থাকায় সেই চিকিৎসককে পরে এখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, নেফ্রো, নিউরো, কার্ডিওলজির মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতায় অত্যাধুনিক ঝা চকচকে এই বহুতল ভবন তৈরি হয়। কিন্তু, তারপরও দীর্ঘদিন এই সুপার স্পেশালিটি ব্লক ফেলে রাখা হয়েছিল। বিতর্ক এড়াতে বেশ কিছুদিন পর ছ’টি বিভাগের আউটডোর পরিষেবা চালু হয়। কিন্তু আজও ইন্ডোর পরিষেবা চালু হয়নি।
হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হয়নি, অথচ অনেকদিন আগেই একটি এজেন্সির মাধ্যমে অস্থায়ী সাফাই ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। পরিকল্পনামতো সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই নানা অজুহাত খাড়া করা হচ্ছে। আসলে পরিকল্পনা মতো সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে অনেক নার্সিংহোমের ব্যবসা ধাক্কা খাবে। কিছু নার্সিংহোমের স্বার্থ রক্ষার জন্যই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনামতো সুপার স্পেশালিটি ব্লক পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার ক্ষেত্রে নানা অজুহাতে প্রতিবন্ধকতা করে চলেছেন।
এক চিকিৎসক বলেন, প্রশাসনিক চাপ আসায় এখন কিছু সাধারণ বিভাগ এখানে সরিয়ে এনে ইন্ডোর পরিষেবা চালুর উদ্যোগ চলছে। কিন্তু, এতে সুপার স্পেশালিটি ব্লকের মূল ভাবনা কার্যকর হবে না।
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার ডাঃ নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জানুয়ারির শুরুতেই আমরা ডার্মাটোলজি আউটডোর সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছি। প্রশাসনের নির্দেশমতো ইন্ডোর পরিষেবা চালুর জন্য আমাদের প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি এবং আইসিসিইউ সহ কার্ডিওলজি বিভাগ সুপার স্পেশালিটি ব্লকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কার্ডিওলজি বিভাগ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও আজও ক্যাথল্যাব না আসায় ব্যয়বহুল পূর্ণাঙ্গ কার্ডিওলজি চিকিৎসা পরিষেবা বিনা মূল্যে পাচ্ছে না গরীব মানুষ।
অথচ সুপার স্পেশালিটি ব্লক তৈরির সময় পূর্ণাঙ্গ কার্ডিওলজি ইউনিট তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেইমতো ক্যাথ ল্যাবের জন্য টেন্ডারও হয়। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ক্যাথলাব আসেনি। সুপার স্পেশালিটি ব্লকের জন্য একজন কার্ডিওথোরাসিক ভাস্কুলার সার্জেন এখানে দেওয়া হয়েচিল। পূর্ণাঙ্গ কার্ডিওলজি বিভাগ না থাকায় সেই চিকিৎসককে পরে এখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।



