সংবাদদাতা, কাঁথি: রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভালের অভাবে হতশ্রী দশা কাঁথি-৩ ব্লকের দুরমুঠ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলদা গ্রামে অবস্থিত ‘আমার গ্রাম, আমার বাগান’ প্রকল্পে তৈরি শিশু উদ্যান। বর্তমানে শিশু উদ্যান বলতে রয়েছে একটি ভাঙাচোরা দোলনা ও স্লিপার, কয়েকটি কংক্রিটের বসার আসন। সুদৃশ্য ফুলের বাগান কিংবা চারদিকে থাকা বেড়া কবেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কয়েক বছর আগে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে এই শিশু উদ্যানটি গড়ে উঠেছিল। কিন্তু বছর দু’য়েক পরই শিশু উদ্যানটি মুখ থুবড়ে পড়ে। তারপর আর উদ্যানটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সরকারি উদ্যোগে তৈরি শিশু উদ্যানটির পরিকাঠামো একটু একটু করে ভেঙে পড়েছে। এলাকার বাসিন্দারা অবিলম্বে শিশু উদ্যানটি নতুন করে সাজানোর দাবি তুলেছেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, এলাকার কচিকাঁচারা যাতে এখানে এসে খেলতে বা সময় কাটাতে পারে, সেকথা ভেবেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে শিশু উদ্যান গড়ে তোলা হয়। তৈরি হয়, স্লিপার, দোলনা। বিভিন্ন ফুলের গাছ বাগানে লাগানো হয়। তৈরি হয় কয়েকটি কংক্রিটের আসন। বেলদা গ্রামে ঢুকলেই চোখে পড়বে, মাঠের পাশে একটা বড় অংশ নিয়ে শিশু উদ্যানটি রয়েছে। পাশেই রয়েছে বেলদা প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিশুরা এখানে এসে খেলাধুলো করত। শিশুদের কোলাহলে ভরে উঠত শিশু উদ্যান। বয়স্ক মানুষজনও বিকেলের দিকে এসে সময় কাটাতেন। বলা ভালো, প্রায় সব বয়সের মানুষ এই শিশু উদ্যানে অবসর সময় কাটাতে চলে আসতেন। এখন আর সেই পরিস্থিতি নেই। প্রথমে বেড়া নষ্ট হয়ে যায়। কাঁটাতার সহ বেড়ার অন্যান্য সামগ্রী চুরি হয়ে যায়। এরফলে গোরু-ছাগল ঢুকে বাগানের একের পর এক গাছ খেয়ে নষ্ট করে দেয়। এখন শুধু একটি গেট এবং স্লিপার রয়েছে। তবে লোহার চেন দেওয়া কাঠের পাটাতনের দোলনাটি ভেঙে গিয়েছে। বসার আসনগুলির নোংরা ও ভাঙাচোরা অবস্থা।
সোমবার সেখানে গিয়ে দেখা গেল, স্লিপারে কয়েকজন শিশু ওঠানামা ও খেলাধুলো করছে। তবে দোলনা না থাকায় তাদের মন খারাপ। কিছুক্ষণ স্লিপারে ওঠানামা করে এবং উদ্যানে ঘোরাফেরা করার পর তারা চলে গেল। তারা জানায়, বাগানটা সুন্দর করে সাজালে খুব ভালো হতো। দু’একজন খুদে বলল, এখানে বাগান, ফোয়ারা থাকলে আমাদের ভালো লাগত।
স্থানীয় বাসিন্দা পরিমল বারিক বলেন, সরকারি উদ্যোগে তৈরি শিশু উদ্যানটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে। শিশুদের কথা ভেবে অবিলম্বে উদ্যানটি সাজিয়ে তোলা হোক, এটাই আমাদের দাবি। আবার শিশুদের কোলাহলে ভরে উঠুক উদ্যানটি। এবিষয়ে কাঁথি-৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশচন্দ্র বেজ বলেন, শিশু উদ্যানের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজ নেব। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে অর্থ বরাদ্দ করে শিশু উদ্যানটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার সেখানে গিয়ে দেখা গেল, স্লিপারে কয়েকজন শিশু ওঠানামা ও খেলাধুলো করছে। তবে দোলনা না থাকায় তাদের মন খারাপ। কিছুক্ষণ স্লিপারে ওঠানামা করে এবং উদ্যানে ঘোরাফেরা করার পর তারা চলে গেল। তারা জানায়, বাগানটা সুন্দর করে সাজালে খুব ভালো হতো। দু’একজন খুদে বলল, এখানে বাগান, ফোয়ারা থাকলে আমাদের ভালো লাগত।
স্থানীয় বাসিন্দা পরিমল বারিক বলেন, সরকারি উদ্যোগে তৈরি শিশু উদ্যানটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে। শিশুদের কথা ভেবে অবিলম্বে উদ্যানটি সাজিয়ে তোলা হোক, এটাই আমাদের দাবি। আবার শিশুদের কোলাহলে ভরে উঠুক উদ্যানটি। এবিষয়ে কাঁথি-৩ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশচন্দ্র বেজ বলেন, শিশু উদ্যানের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজ নেব। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে অর্থ বরাদ্দ করে শিশু উদ্যানটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।



