নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার দার্জিলিং জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের সচিত্র ভোটার তালিকায় পুরুষদের টেক্কা দিলেন মহিলারা। যারমধ্যে দু’টি কেন্দ্র পাহাড়ে এবং একটি সমতলে। প্রশাসন সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট তিনটি কেন্দ্রে মোট ভোটারের ৫১ শতাংশ মহিলা। এনিয়ে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল কংগ্রেস ও তাদের ‘বন্ধুদল’ অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খ প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। তারা সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে মহিলাদের গুরুত্ব দিয়ে দলের সংগঠন সাজাচ্ছে।
Advertisement
দার্জিলিং জেলায় পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্র। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো গত অক্টোবর মাসে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়। ওই সময় থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তালিকা সংশোধন অভিযান চলে। কয়েকদিন আগে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে পাহাড়ের দু’টি দার্জিলিং ও কার্শিয়াং এবং সমতলের মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে পুরুষের তুলনায় মহিলা ভোটারের সংখ্যা বেশি।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অনেক জায়গায় বয়স ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় মহিলারা ভোটার তালিকায় নির্দিষ্ট সময়ে নাম তুলতে অনীহা প্রকাশ করেন। সমাজ গঠন ও নির্বাচন নিয়েও তাঁদের মধ্যে তেমন হেলদোল নেই। কিন্তু পাহাড়ের মহিলারা ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন। সেজন্য দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে ভোটার তালিকায় মহিলাদের সংখ্যা বেশি। সেসঙ্গে এবার সমতলেও মহিলাদের মধ্যে ভোট নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে। এজন্যই মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রে মহিলা ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল বলেন, ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে নিয়মিত প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে। সর্বস্তরের আধিকারিকদের উদ্যোগেই সংশ্লিষ্ট তিনটি কেন্দ্রে মহিলা ভোটার কিছুটা বেড়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার ৭ লক্ষ ৯২ হাজার ২৪৯ জন। এরমধ্যে মহিলা ভোটার ৫০.৮০ শতাংশ। কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রে মহিলা ভোটারের হার বেশি। এখানে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯১৩। এতে মহিলা ভোটা ১ লক্ষ ২৩ হাজার ১২৩ জন। যা ৫১.৩১ শতাংশ। এরপরই দার্জিলিং কেন্দ্রের স্থান। এখানে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬৬৭ জন। এতে মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৫ জন, যা ৫০.৯১ শতাংশ। সমতল মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে মোট ভোটার ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৬৬৯ জন। এতে মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৩৭ জন। যা ৫০.৩২ শতাংশ।
এনিয়ে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার মুখপাত্র (সমতল) বেদব্রত দত্ত বলেন, মহিলাদের জন্য বেশকিছু সামাজিক প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। এতেই মহিলারা ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়েছে। এজন্যই তিনটি কেন্দ্রে পুরুষদের টেক্কা দিয়েছেন মহিলা ভোটাররা। তাছাড়া আমাদের দলেও মহিলাদের গুরুত্ব অপরিসীম। দলের জেলা সভানেত্রীই মহিলা। মহিলা সংগঠনও যথেষ্ট শক্তিশালী। বিজিপিএমের মুখপাত্র শক্তিপ্রসাদ শর্মা বলেন, পাহাড়ে আমাদের দলেও মহিলাদের গুরুত্ব যথেষ্ট। গত পঞ্চায়েত ভোটে প্রচুর মহিলাকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া প্রতিটি ব্লকে এবং সোসাইটিতে দলের হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রচুর মহিলা।
এদিকে, জেলার শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্র দু’টির তালিকায় পুরুষ ভোটারের সংখ্যা কিছুটা বেশি। তবে সংশ্লিষ্ট দু’টি কেন্দ্রে পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের সংখ্যা খুব বেশি কম নয়।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অনেক জায়গায় বয়স ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় মহিলারা ভোটার তালিকায় নির্দিষ্ট সময়ে নাম তুলতে অনীহা প্রকাশ করেন। সমাজ গঠন ও নির্বাচন নিয়েও তাঁদের মধ্যে তেমন হেলদোল নেই। কিন্তু পাহাড়ের মহিলারা ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন। সেজন্য দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে ভোটার তালিকায় মহিলাদের সংখ্যা বেশি। সেসঙ্গে এবার সমতলেও মহিলাদের মধ্যে ভোট নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে। এজন্যই মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রে মহিলা ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল বলেন, ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে নিয়মিত প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে। সর্বস্তরের আধিকারিকদের উদ্যোগেই সংশ্লিষ্ট তিনটি কেন্দ্রে মহিলা ভোটার কিছুটা বেড়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার ৭ লক্ষ ৯২ হাজার ২৪৯ জন। এরমধ্যে মহিলা ভোটার ৫০.৮০ শতাংশ। কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রে মহিলা ভোটারের হার বেশি। এখানে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯১৩। এতে মহিলা ভোটা ১ লক্ষ ২৩ হাজার ১২৩ জন। যা ৫১.৩১ শতাংশ। এরপরই দার্জিলিং কেন্দ্রের স্থান। এখানে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬৬৭ জন। এতে মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৫ জন, যা ৫০.৯১ শতাংশ। সমতল মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে মোট ভোটার ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৬৬৯ জন। এতে মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৩৭ জন। যা ৫০.৩২ শতাংশ।
এনিয়ে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলার মুখপাত্র (সমতল) বেদব্রত দত্ত বলেন, মহিলাদের জন্য বেশকিছু সামাজিক প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। এতেই মহিলারা ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়েছে। এজন্যই তিনটি কেন্দ্রে পুরুষদের টেক্কা দিয়েছেন মহিলা ভোটাররা। তাছাড়া আমাদের দলেও মহিলাদের গুরুত্ব অপরিসীম। দলের জেলা সভানেত্রীই মহিলা। মহিলা সংগঠনও যথেষ্ট শক্তিশালী। বিজিপিএমের মুখপাত্র শক্তিপ্রসাদ শর্মা বলেন, পাহাড়ে আমাদের দলেও মহিলাদের গুরুত্ব যথেষ্ট। গত পঞ্চায়েত ভোটে প্রচুর মহিলাকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া প্রতিটি ব্লকে এবং সোসাইটিতে দলের হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রচুর মহিলা।
এদিকে, জেলার শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্র দু’টির তালিকায় পুরুষ ভোটারের সংখ্যা কিছুটা বেশি। তবে সংশ্লিষ্ট দু’টি কেন্দ্রে পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের সংখ্যা খুব বেশি কম নয়।



