নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মঙ্গলবার জলপাইগুড়িতে আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি সীমা চৌধুরীর গাড়ি। গয়েরকাটার বাড়ি থেকে আসার সময় এদিন দুপুর দেড়টা নাগাদ ধূপগুড়ি স্টেশন মোড় এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। অল্পের জন্য রক্ষা পান সহকারী সভাধিপতি।
Advertisement
তিনি জানিয়েছেন, একটি পিকআপ ভ্যান দ্রুতগতিতে এসে আচমকা তাঁর গাড়ির সামনে সজোরে ব্রেক কষে। তারই জেরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর গাড়িটি ওই পিকআপ ভ্যানে ধাক্কা মারে। গাড়ির সামনে চালকের পাশের সিটে বসেছিলেন তিনি। কোনওমতে তিনি নিজেকে সামলে নেন। খবর পেয়েই দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। ওই পিকআপ ভ্যানটিকে ধূপগুড়ি থানায় নিয়ে আসা হয়। সঙ্গে ভ্যানের চালককেও নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। যদিও পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনা নিয়ে এদিন রাত পর্যন্ত সহকারী সভাধিপতি থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। তিনি বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ফলে ওই বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। তবে যেভাবে ওই পিকআপ ভ্যানের চালক আমার গাড়ির সামনে এসে ব্রেক কষে, তাতে সত্যিই বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। আমার গাড়ির চালক অত্যন্ত দক্ষ। সেকারণে তিনি সামলে নিয়েছেন। তারপরও আমার গাড়ির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সভাধিপতি ও অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলি। তারপর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবব।
অভিযোগ, জাতীয় সড়কে টোটো উঠে আসছে। পিকআপ ভ্যানগুলি বেপরোয়া গতিতে চলছে। এরই জেরে দুর্ঘটনা ঘটছে। অবশ্য পুলিসের দাবি, দুর্ঘটনা রুখতে ট্রাফিক পুলিসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সিগন্যাল পোস্টও বাড়ছে। টোটো নিয়েও ধরপাকড় চলছে।
এদিকে, দুর্ঘটনা নিয়ে এদিন রাত পর্যন্ত সহকারী সভাধিপতি থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। তিনি বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ফলে ওই বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। তবে যেভাবে ওই পিকআপ ভ্যানের চালক আমার গাড়ির সামনে এসে ব্রেক কষে, তাতে সত্যিই বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। আমার গাড়ির চালক অত্যন্ত দক্ষ। সেকারণে তিনি সামলে নিয়েছেন। তারপরও আমার গাড়ির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সভাধিপতি ও অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলি। তারপর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবব।
অভিযোগ, জাতীয় সড়কে টোটো উঠে আসছে। পিকআপ ভ্যানগুলি বেপরোয়া গতিতে চলছে। এরই জেরে দুর্ঘটনা ঘটছে। অবশ্য পুলিসের দাবি, দুর্ঘটনা রুখতে ট্রাফিক পুলিসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সিগন্যাল পোস্টও বাড়ছে। টোটো নিয়েও ধরপাকড় চলছে।



