নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বিনা খরচেই তিস্তা, করলা, রায়ডাক নদীর পাশাপাশি তিস্তা-মহানন্দা লিঙ্ক ক্যানাল সংস্কারের ভাবনা রাজ্যের। এ ব্যাপারে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সরেজমিনে নদীর পরিস্থিতির খতিয়ে দেখে রিপোর্টও জমা দিয়েছেন সেচদপ্তরের আধিকারিকরা। এবার শীঘ্রই টেন্ডার ডাকা হবে। সোমবার এমনটাই জানালেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন। ‘নো কস্ট টু দ্য স্টেট’ অর্থাৎ রাজ্যের কোনও খরচ নেই, এই ভাবনাতেই নদীর ড্রেজিংয়ের কথাবার্তা এগচ্ছে বলে জানান তিনি। জেলাশাসক বলেন, আমরা চাইছি, নদীর ড্রেজিংয়ের কাজে যে সংস্থা বরাত পাবে, তারাই নদী থেকে তোলা বালি-পলি, পাথর কিনে নেবে। এতে প্রথমত নদীর পাড়ে বালি ও পলি ডাঁই হয়ে পড়ে থাকবে না। একইসঙ্গে ওই বালি ও পলি বিক্রির মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা পড়বে। প্রক্রিয়া চলছে। শীঘ্রই টেন্ডার ডাকা হবে।
সেচদপ্তরের উত্তর-পূর্বের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক বলেন, করলার পাশাপাশি তিস্তা, রায়ডাক নদী সহ গজলডোবায় তিস্তা-মহানন্দা লিঙ্ক ক্যানাল ড্রেজিংয়ে নো কস্ট টু দ্য স্টেট এই পলিসি মেনে কাজ হবে। অর্থাৎ, নদীর ড্রেজিংয়ে সরকারের কোনও অর্থ খরচের বিষয় নেই। যে সংস্থা বরাত পাবে, তারাই নদী থেকে তোলা বালি, পাথর, পলি নিয়ে নেবে। তার বিনিময়ে রাজ্য সরকারকে রাজস্ব দেবে।
সেচদপ্তরের ওই কর্তা বলেন, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আমরা ফিজিবিলিটি রিপোর্ট দিয়েছি। কলকাতা থেকে আধিকারিকরা এসে সরেজমিনে পরিদর্শন করে গিয়েছেন। এবার টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। তিনি বলেন, ড্রেজিং করলে তিস্তা থেকে যেমন বালি পাওয়া যাবে, তেমনই কোনও নদী থেকে পলি কিংবা পাথর পাওয়া যেতে পারে। যেখানে যেমনটা পাওয়া যাবে, বরাত পাওয়া সংস্থা তা নিয়ে নেবে। বিনিময়ে রাজ্যের কোষাগারে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা দেবে।