নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রান্তিক এলাকা থেকে মানুষজন এসেছেন দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে। তাঁদের সঙ্গে একই বেঞ্চে বসে অভাব-অভিযোগ শুনলেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পারভীন ও পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত। জলপাইগুড়ি সদর ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে মোহিতনগর কলোনি তারাপ্রসাদ বালিকা বিদ্যালয়ে দুয়ারে সরকারের বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে শুক্রবার সেখানেই পৌঁছে যান জেলাশাসক। সঙ্গে ছিলেন পুলিস সুপার। রাজ্য সরকারের ‘মানবিক’ প্রকল্পের কাউন্টারে বসে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের সঙ্গে কথা বলেন জেলাশাসক। শোনেন তাঁদের অভাব-অভিযোগ। তারপর নিজের মোবাইল ফোনেই ওইসব মানুষজনের আধার কার্ডের ছবি তুলে নিয়ে তাঁরা যাতে প্রতিবন্ধী ভাতা সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পান, সেব্যাপারে উদ্যোগী হন ডিএম। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলাপরিষদ) রৌণক আগরওয়াল, জলপাইগুড়ি সদরের বিডিও মিহির কর্মকার। দুয়ারে সরকারের শিবিরে এদিন যেভাবে জেলাশাসক ও পুলিস সুপার সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন, তাতে খুশি সাধারণ মানুষ।
Advertisement
জেলাশাসক বলেন, এবার জলপাইগুড়ি জেলায় দুয়ারে সরকারের মোট ২৮১৬টি শিবির হচ্ছে। এরমধ্যে ৮০০টি মোবাইল ক্যাম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চা বাগান ও জঙ্গল লাগোয়া এলাকার মানুষজনের যাতে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনওরকম অসুবিধা না হয়, সেজন্য ওই এলাকাগুলিতে দুয়ারে সরকারের ভ্রাম্যমাণ শিবিরের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল বলেন, পুর এলাকায় দুয়ারে সরকারের মোট ১২৪টি ক্যাম্প করা হচ্ছে। এরমধ্যে শহরের মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মূল ক্যাম্প। প্রতিটি ক্যাম্প থেকে মানুষ রাজ্য সরকারের ৩৬টি প্রকল্পের ব্যাপারে জানতে পারবে। সেগুলি পেতে আবেদন করা যাবে।
পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল বলেন, পুর এলাকায় দুয়ারে সরকারের মোট ১২৪টি ক্যাম্প করা হচ্ছে। এরমধ্যে শহরের মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মূল ক্যাম্প। প্রতিটি ক্যাম্প থেকে মানুষ রাজ্য সরকারের ৩৬টি প্রকল্পের ব্যাপারে জানতে পারবে। সেগুলি পেতে আবেদন করা যাবে।



